আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলি ট্রাম্পের ঘোষিত উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ বিদেশি কর্মীদের এইচ-ওয়ান বি ভিসা বিধিকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।

ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালত মার্কিন চেম্বার অফ কমার্সের আর্জি খারিজ করে দেয় মঙ্গলবার।
শেষ আপডেট: 24 December 2025 10:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এইচ-ওয়ান বি (H-1B visas) ভিসার নয়া ফরমান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার বৃহত্তম ব্যবসায়িক সংগঠন আদালতে গিয়েছিল। কিন্তু, ফেডারেল বিচারক সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। আদালত বলেছে, এটি অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্টের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধীন। আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলি ট্রাম্পের ঘোষিত উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ বিদেশি কর্মীদের এইচ-ওয়ান বি ভিসা বিধিকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। ১ লক্ষ ডলার করে ভিসা-ফি হিসেবে দেওয়ার নতুন ফরমান জারির বিরুদ্ধে আদালতে একযোগে আবেদন করেছিল শিল্প-বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর মাথারা।
ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালত মার্কিন চেম্বার অফ কমার্সের আর্জি খারিজ করে দেয় মঙ্গলবার। চেম্বার বা উদ্যোগপতি সংস্থাগুলির দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রীয় অভিবাসন আইনের পরিপন্থী। শুধু তাই নয়, এই ফরমানে তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি, হাসপাতাল এবং অন্যান্য কর্মসৃষ্টিকারী কোম্পানিকে চাকরি ছাঁটাই করতে বাধ্য হতে হবে। এর ফলে তারা যে জনপরিষেবা দিয়ে থাকে, তাতে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। উপরন্তু, পরিষেবা প্রদানে খরচ বাড়বে এবং তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে দেশবাসীর উপর।
চেম্বারের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধান কৌঁসুলি ডারিল জোসেফার বলেন, এই বিধিতে অনেক ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে ভিসা রিনিউ করতে পারবে না। আমরা আদালতে সিদ্ধান্তে অখুশি। এরপর বৃহত্তর আদালতে যাওয়ার কথা চিন্তাভাবনা চলছে। যাতে বিষয়টি মার্কিন কংগ্রেসের হাতে অন্তত চলে যায়।
এইচ-ওয়ান বি ভিসা পদ্ধতি হল, মার্কিন নিয়োগকারী সংস্থা বিদেশি কর্মী নিতে পারে। বিশেষ করে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলি এই এইচ-ওয়ান বি ভিসা কর্মীদের উপর নির্ভরশীল। এই কর্মসূচিতে আছে বছরে ৬৫,০০০ ভিসা দেওয়া হবে। আরও ২০,০০০ ভিসা দেওয়া হবে অতিরিক্ত উচ্চশিক্ষিতদের, যার মেয়াদ হবে তিন থেকে ছয় বছর।