এপস্টাইন ফাইলসের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য গোপন, প্রকাশ্যে বিলম্ব, ছবি বিকৃতি, ছবি বাদ দেওয়ার অভিযোগে ঢোঁক গিলে হাজার হাজার তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ।
.jpeg.webp)
এপস্টাইন ফাইলস নিয়ে এটাই সর্ববৃহৎ তথ্য প্রকাশ করল তারা।
শেষ আপডেট: 23 December 2025 17:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইন মামলা সংক্রান্ত আরও ১১,০০০ পাতার অতিরিক্ত তথ্য-দলিল প্রকাশ করল আমেরিকার বিচার বিভাগ। মঙ্গলবার এপস্টাইন ফাইলসের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য গোপন, প্রকাশ্যে বিলম্ব, ছবি বিকৃতি, ছবি বাদ দেওয়ার অভিযোগে ঢোঁক গিলে হাজার হাজার তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এপস্টাইন ফাইলস নিয়ে এটাই সর্ববৃহৎ তথ্য প্রকাশ করল তারা।
নতুন এই ফাইলগুলিতে রয়েছে কয়েকশো ভিডিও এবং অডিও রেকর্ডিংস। ২০১৯ সালের অগস্ট থেকে সার্ভেলিয়্যান্স ফুটেজ। উল্লেখ্য, এই মাসেই এপস্টাইনকে তাঁর জেলের কুঠুরির মধ্যে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যুকে সরকারিভাবে আত্মহত্যা বলা হলেও, তা নিয়ে আমেরিকা জুড় কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে প্রশাসন। বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তারা তথ্য ও তদন্ত গোপন করতে চাইছে।
নতুন ফাইলে রয়েছে ২০০৭ সালের মে মাসে এক গ্র্যান্ড জুরির অজ্ঞাতনামা এক এফবিআইয়ের সাক্ষ্যগ্রহণ। যেখানে দাবি করা হয়েছে, এপস্টাইন ১৫ বছরের ঊর্ধ্বাঙ্গ মুক্তবসনা এক নাবালিকাকে ন্যুড ম্যাসাজ দেওয়ার জন্য নিয়োগ করেছিলেন। ওই এফবিআই এজেন্টের দাবি, ওই মেয়েটির মতো এপস্টাইন রোগা এবং সোনালি চুলের আকর্ষণীয় চেহারা-সৌন্দর্যের মেয়ে পছন্দ করতেন।
এপস্টাইন ডকুমেন্টে একটিতে একটি ই-মেলের সন্ধান মিলেছে। যেখানে বলা আছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এপস্টাইনের ব্যক্তিগত বিমানে বহুবার চড়েছেন। কিন্তু, ই-মেলের সেন্ডার ও প্রাপকের নাম আড়ালে রাখা হয়েছে। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের নাম অন্তত ৮টি প্যাসেঞ্জার লিস্টে রয়েছে। তার মধ্যে চারটিতে এপস্টাইনের সঙ্গিনী ম্যাক্সওয়েল ছিলেন। আরও একটি প্যাসেঞ্জার তালিকায় শুধু এপস্টাইন ও ট্রাম্পের নাম রয়েছে, সঙ্গে ছিলেন তখন ২০ বছর বয়সের এক মেয়ে, যাঁর নাম গোপন রাখা হয়েছে।