Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘তাহলে আমার তত্ত্ব ভুল ছিল না!’ বৈভবের বিরল ব্যর্থতা দেখে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ইরফানের I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত

ইসলামাবাদ টকস এখন পাকিস্তানের বাঁচা-মরার লড়াই! মার্কিন-ইরান বৈঠক ভেস্তে গেলে দাম দিতে হবে তাদেরই

আলোচনাটি সফল না হলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে।

ইসলামাবাদ টকস এখন পাকিস্তানের বাঁচা-মরার লড়াই! মার্কিন-ইরান বৈঠক ভেস্তে গেলে দাম দিতে হবে তাদেরই

ফাইল ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 11 April 2026 23:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইসলামাবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের (Iran US peace talk) মধ্যে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, সেটা শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক বৈঠক নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তার একটা বড় ইঙ্গিত। যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর পরিবেশে এই বৈঠক ঘিরে যেমন আশা তৈরি হয়েছে, তেমনই ভয়ও বাড়ছে। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনা ব্যর্থ হলে তার বড় মূল্য দিতে হতে পারে পাকিস্তানকেই (Pakistan)।

ইসলামাবাদে শুরু উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা (Iran US Talk) শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে ট্রাম্পের প্রতিনিধি হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষ থেকে রয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে 'ইসলামাবাদ টকস' (Islamabad Talks) নামে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই উদ্যোগ এসেছে এক নাজুক যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষিতে, যেখানে দুই দেশ সংঘর্ষ কমানোর চেষ্টা করছে।

কেন পাকিস্তানের এত আগ্রহ?

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান এই আলোচনার আয়োজন করে মূলত নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে চাইছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা, অন্যদিকে পশ্চিম সীমান্তে সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়ানো- এই দুই লক্ষ্যেই ইসলামাবাদ এই উদ্যোগ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচনাটি সফল না হলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে।

ব্যর্থ হলে বড় বিপদে পাকিস্তান

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আলোচনা ভেস্তে গেলে পাকিস্তান এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। কারণ পাকিস্তান ভৌগোলিকভাবে ইরান, আফগানিস্তান ও ভারতের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ফলে যেকোনও সংঘাত তার সীমান্তে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

তাছাড়া পাকিস্তানের সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী, কোনও দেশ আক্রমণের শিকার হলে অন্য দেশ সহায়তা করতে পারে। ফলে ইরান-সৌদি উত্তেজনা বাড়লে পাকিস্তানকেও টেনে আনা হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে।

অর্থনৈতিক চাপও বড় কারণ

শুধু নিরাপত্তা নয়, পাকিস্তানের দুর্বল অর্থনীতিও বড় চিন্তার বিষয়। দেশটি জ্বালানি ও তেলের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়লে তেলের দাম বেড়ে যায়, যা সরাসরি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে আঘাত করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি সংকট, বাজারে অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে।

সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান এই আলোচনা পাকিস্তানের জন্য শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগ নয়, বরং এক ধরনের  'বাঁচা-মরার কৌশলগত পরীক্ষা'। আলোচনা সফল হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে, কিন্তু ব্যর্থ হলে পাকিস্তানকে বড় রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে।


```