রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চিন (China)। এরপরই রয়েছে ভারত (India)। তৃতীয় স্থানে তুরস্ক, যে ন্যাটোর সদস্য। হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া-সহ আরও কিছু ন্যাটো দেশও রাশিয়া থেকে তেল কিনছে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 14 September 2025 11:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের শুল্ক-হুমকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। এবার তাঁর নিশানায় চিন (China)। ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে! ন্যাটো (NATO) দেশগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করার কোথাও বলেছেন তিনি।
শনিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, 'ন্যাটো সদস্যদের রুশ তেল কেনা 'অবিশ্বাস্য' এবং এতে তাদের রাশিয়ার সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়।' তিনি অভিযোগও করেছেন যে যুদ্ধ শেষ করার জন্য ন্যাটোর প্রচেষ্টা এখনও সম্পূর্ণ নয়।'
রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চিন (China)। এরপরই রয়েছে ভারত (India)। তৃতীয় স্থানে তুরস্ক, যে ন্যাটোর সদস্য। হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া-সহ আরও কিছু ন্যাটো দেশও রাশিয়া থেকে তেল কিনছে।
সম্প্রতি রাশিয়া থেকে ছোড়া ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ায় পোল্যান্ড সেগুলো গুলি করে নামিয়েছে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসও ট্রাম্পকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বলছে।
ট্রাম্প বলেছেন, 'ন্যাটো যদি রুশ তেল কেনা বন্ধ করে এবং চিনের ওপর ৫০-১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে এই ভয়াবহ ও হাস্যকর যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে।' তিনি বলেছেন, 'চিন রাশিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ তৈরি করেছে এবং তাঁর শুল্ক নীতি সেই নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দেবে।'
ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, 'আমি থাকলে যুদ্ধ শুরুই হতো না। এটি বাইডেন ও জেলেনেস্কির যুদ্ধ।' উল্লেখযোগ্যভাবে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম উল্লেখ করেননি। ট্রাম্প ন্যাটোকে সতর্ক করে বলেছেন, 'আমার কথা মতো কাজ করুন, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে এবং অনেক প্রাণ বাঁচবে। না হলে শুধু সময়, শক্তি আর টাকা নষ্ট হচ্ছে।'
সম্প্রতি, রাশিয়ার (Russia) কাছ থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপরে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে চিনে গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মোদী।
বিভিন্ন দেশের উপরে চাপানো ট্রাম্পের ‘সিদ্ধান্ত’ বেআইনি বলে আমেরিকার আদালতে শুনতে হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনকে। তার পরে ‘বাণিজ্যচুক্তিবদ্ধ’ দেশগুলির জন্যে বিশেষ শুল্ক ছাড়ের কথা ঘোষণা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিশেষ কিছু পণ্য আমেরিকায় রফতানির ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ দেশগুলিকে কোনও শুল্ক দিতে হবে না। তার পরে আবারও ভারতের ক্ষেত্রে ‘সুর নরম’ করেন ট্রাম্প। সমাজমাধ্যমে ‘সুসম্পর্কে’র বার্তাও দেন।