Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

তেল কিনছে ভারত আর যুদ্ধ চালাচ্ছে রাশিয়া! শুল্কনীতির যুক্তি দিলেন ভ্যান্স, পাল্টা দিল দিল্লি

ভারত অবশ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তিকে নস্যাৎ করেছে। নয়াদিল্লির সাফ কথা, দেশের জ্বালানি নীতি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় স্বার্থ ও বাজারের চাহিদার উপর নির্ভরশীল।

তেল কিনছে ভারত আর যুদ্ধ চালাচ্ছে রাশিয়া! শুল্কনীতির যুক্তি দিলেন ভ্যান্স, পাল্টা দিল দিল্লি

জেডি ভ্যান্স এবং নরেন্দ্র মোদী

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 25 August 2025 15:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাশিয়াকে (Russia) চাপে রাখতেই ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক (Tariff) চাপিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)! কয়েকদিন আগে এমনই যুক্তি দিয়েছিল হোয়াইট হাউস (White House)। এবার সেই একই সুরে কথা বলে দুই দেশের সম্পর্কের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিলেন মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স (JD Vance)। তিনি স্পষ্ট করেছেন, রাশিয়াকে কোণঠাসা করতেই নাকি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যে ভারতের আমদানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক (India US Tariff) বসিয়েছে, তার মূল লক্ষ্য রাশিয়ার তেল রফতানিতে (Oil Trade) চাপ তৈরি করা - এমনটাই দাবি মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্সের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, “ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়ে রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথকে কঠিন করে দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প এভাবেই আগ্রাসী অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছেন।”

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে বলেও আশাবাদী তিনি। ভ্যান্সের কথায়, “গত কয়েক সপ্তাহেই দুই পক্ষ থেকেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছাড় মিলেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, রাশিয়া যদি হত্যালীলা থামায় তবে তারা আবারও বিশ্ব অর্থনীতিতে ফিরতে পারবে, নইলে বিচ্ছিন্নই থাকতে হবে।”

হোয়াইট হাউসের অভিযোগ, রাশিয়ার ছাড় দেওয়া তেল কিনেই চলেছে ভারত, আর সেই অর্থেই ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাচ্ছে মস্কো। এর জেরে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক দ্বিগুণ করেছে, যার মধ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্কও অন্তর্ভুক্ত। তবে একই কারণে ইউরোপ বা চিনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কড়া পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভারত অবশ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তিকে নস্যাৎ করেছে। নয়াদিল্লির সাফ কথা, দেশের জ্বালানি নীতি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় স্বার্থ ও বাজারের চাহিদার উপর নির্ভরশীল। পশ্চিমী দেশগুলি রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ এড়িয়ে যাওয়ার পর ভারতই সস্তায় সেই তেল কিনেছে।

এই বিষয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “ব্যবসাবান্ধব মার্কিন প্রশাসনের লোকেরা যখন অন্যকে ব্যবসার জন্য দোষ দেয়, তখন বিষয়টা খানিকটা হাস্যকরই লাগে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আপনারা যদি ভারতের থেকে তেল বা পণ্য কিনতে না চান, কিনবেন না। কাউকে তো জোর করা হচ্ছে না। কিন্তু বাস্তব হল ইউরোপ কেনে, আমেরিকাও কেনে। তাহলে এই প্রেক্ষিতে আপত্তি কেন?” প্রশ্ন তাঁর।


```