ইউক্রেনের মরণ কামড়ের পরেই সোমবার দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকে বসল রাশিয়া।

শেষ আপডেট: 2 June 2025 19:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইউক্রেনের মরণ কামড়ের পরেই সোমবার দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকে বসল রাশিয়া। তুরস্কের সিরাগান প্রাসাদে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে দু সপ্তাহের ভিতর ফের দ্বিতীয়বার আলোচনার টেবিলে বসে। উল্লেখ্য, এই শান্তি বৈঠকের আগের দিনই ইউক্রেন মস্কোর বিমানঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে এক বড়সড় ড্রোন হামলা চালায়।
ইস্তানবুলে আলোচনার শেষে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি বলেন, আরও যুদ্ধবন্দির মুক্তি হবে বলে আশা রাখেন। তাঁর দাবি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঠিক করার মালিক নন, কে ন্যাটোর সদস্য হবে বা কে হবে না। আসলে এই অজুহাতে উনি যুদ্ধের খিদে মেটাতে চান। ওদের লক্ষ্যকে শেষ করে দেওয়া উচিত। রাশিয়া আসলে আগ্রাসনবাদী। ন্যাটো যেন বুঝিয়ে দেয়, রাশিয়া এই যুদ্ধ থেকে কিছুই লাভ করতে পারবে না।
এদিনের শান্তি বৈঠকটি প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে। ইউক্রেন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ। তুর্কি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠক শুরু হয়েছিল স্থানীয় সময় দুপুর ১টায়। মধ্যস্থ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী হাকান ফিদান। তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররাও আলোচনার সময় সেখানে ছিলেন। তবে যতটুকু জানা গিয়েছে, তা হল দুই পক্ষই দাবিতে অনড় থাকায় যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে কোনও ঐকমত্য তৈরি হয়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia-Ukraine War) নতুন মোড় এসেছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল পুতিনের বাহিনী। তার প্রত্যাঘাত করেছে জেলেনস্কির দেশ। সেই হামলায় রাশিয়ার ৪০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে জেলেনস্কির দেশ রাশিয়ার ভূখণ্ডের ৫০০ থেকে সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছিল কমপক্ষে ১১৭টি ড্রোন। আর এটি তাঁরা করেছিল বেশ কয়েকটি ট্রাকের সাহায্য। ইতিমধ্যে বিস্ফোরণের বেশ কিছু ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ড্রোন হামলার উৎসস্থল চিহ্নিত করে সেগুলিকে নিষ্ক্রিয় করেছে রুশ সেনা।