সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও পুনের আইনের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা পানোলির আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের ন্যূনতম অধিকার জেল হেফাজতে মানা হচ্ছে না, তাঁকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

শেষ আপডেট: 2 June 2025 19:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও পুনের আইনের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা পানোলির আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের ন্যূনতম অধিকার জেল হেফাজতে মানা হচ্ছে না, তাঁকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। একারণে শর্মিষ্ঠার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। এই কথা জানিয়ে তাঁর আইনজীবী একটি আর্জি জমা দিয়ে বলেছেন, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে না জেলের ভিতর।
আদালতের নির্দেশে পানোলি বর্তমান আলিপুর মহিলা জেলে রয়েছেন। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি ইনস্টা পোস্টে তিনি বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করেছিলেন বলে একটি অভিযোগ দায়ের হয় কলকাতার থানায়। তারপরেই কলকাতা পুলিশ গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে শর্মিষ্ঠাকে এখানে নিয়ে আসে।
সাংবাদিকদের সামনে তাঁর আইনজীবী মহম্মদ সামিমউদ্দিন বলেন, ১৩ জুনের আগেই আমরা তাঁকেজেল থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছি। আমরা সোমবার বসে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। তিনি দাবি করেন, আলিপুর জেলে সঠিক পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বিশেষত তাঁকে ন্যূনতম চাহিদা অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে না। যে কারণে উনি আগের থেকে অসুস্থ বোধ করছেন। শর্মিষ্ঠার কিডনিতে স্টোন রয়েছে। তাঁকে কোনও খবরের কাগজ ও পত্রিকা দেওয়া হয়নি। এদিন আমরা একটি আবেদন আদালতে জমা দিয়েছি। যাতে তাঁকে জেলে ন্যূনতম অধিকার অনুযায়ী জিনিসপত্র দেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, শর্মিষ্ঠা নির্দোষ। আমরা তাঁকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছি।
অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি পোস্টে আপত্তিকর মন্তব্য করার জন্য শুক্রবার রাতে গুরুগ্রাম থেকে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার আইন ছাত্রীকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। শনিবার বিকেলে তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে ১২ জুন পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শর্মিষ্ঠা পানোলি নামে ওই ছাত্রী পুনের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, পরে ওই ভিডিও ডিলিট করে ফেলা হয়েছে। যদিও পুলিশের দাবি, পানোলি সেটা ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেছিলেন। যাতে নির্দিষ্ট একটি ধর্ম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ‘অসম্মানজনক ও অপমানকর’ মন্তব্য লেখা ছিল।
অভিযোগ, শর্মিষ্ঠা অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বলিউড তারকাদের নীরবতা নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করেন। সেই মন্তব্যে তিনি আপত্তিজনক ভাষা প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগে রয়েছে। পুনের আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা।