ঘটনাটি ঘটে মিশরে আয়োজিত গাজা পিস সামিটে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কার্যত আবেগে ভেসে যান পাক প্রধানমন্ত্রী।

শাহবাজ শরিফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 15 October 2025 13:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাজা শান্তি সম্মেলনকে (Gaza Peace Summit) যেন ভক্তিমূলক সভায় পরিণত করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (Pakistan PM) শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) উদ্দেশে তাঁর অতিরিক্ত প্রশংসা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, উপস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টও বিস্মিত হয়ে পড়েন, আর নেটদুনিয়া ভরে যায় সমালোচনায়।
ঘটনাটি ঘটে মিশরে আয়োজিত গাজা পিস সামিটে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কার্যত আবেগে ভেসে যান পাক প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ মিনিটের বক্তৃতায় যেন ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান তিনি। ট্রাম্পকে বলেন, তিনি একজন প্রকৃত শান্তির দূত এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের (Nobel Peace Price) সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।
শরিফের কথায়, “শান্তি এসেছে একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলে। তিনি সত্যিই একজন শান্তির মানুষ।” আরও একধাপ এগিয়ে তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ এড়ানো গেছে। সংযোজন, “ওই ভদ্রলোক না থাকলে হয়তো পৃথিবীতে কেউই বেঁচে থাকত না।”
শাহবাজের এই মন্তব্য ভালভাবে নেয়নি সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media)। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে প্রতিক্রিয়া। কেউ লিখেছেন ‘বিরক্তিকর’, কেউ বলেছেন ‘লজ্জাজনক’। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আচরণ বহু মানুষকেই অবাক করেছে। অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্পের জুতো চাটার জন্য তাঁর নোবেল পাওয়া উচিত!
সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেছে নানা কটাক্ষের পোস্টে। কেউ লিখছেন - ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে শাহবাজ শরিফের এমন অকারণ চাটুকারিতা পাকিস্তানিদের জন্য লজ্জাজনক। আবার কেউ বলছেন - যখনই ট্রাম্প তাঁর জুতো ঝকঝকে করতে চান, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ডাকেন। আরও একজন ব্যবহারকারী কটাক্ষ করে বলেন - চাটুকারিতায় পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীকে কেউ হারাতে পারবে না।
গাজা সম্মেলনের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়া নতুন নামে ডাকে শুরু করেছে - ‘বুটলিকার’ (Bootlicker) বা জুতোচাটা! সঙ্গে ছড়িয়েছে অসংখ্য মিম।