Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

গাজায় অভিযান থামাতে সেনাকে নির্দেশ নেতানিয়াহুর, প্রবল চাপ তৈরি করেছিলেন ট্রাম্প

গাজায় অভিযান থামানোর নির্দেশ দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রবল চাপের ফলেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাঁকে।

গাজায় অভিযান থামাতে সেনাকে নির্দেশ নেতানিয়াহুর, প্রবল চাপ তৈরি করেছিলেন ট্রাম্প

সংগৃহীত ছবি

অরণ্যা দত্ত

শেষ আপডেট: 4 October 2025 11:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্যালেস্টাইনের গাজা অভিমুখে অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজরায়েলি সেনার আর্মি রেডিও একটু আগে এই খবর দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলি একে একে ইজরাইলের এই পদক্ষেপের খবর প্রচার করতে শুরু করেছে।

তারা বলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রবল চাপের মুখে নেতানিয়াহু এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরেও তিনি চাপের মুখে পড়েছেন। ইজরায়েলের একাধিক রাজনৈতিক দলও যুদ্ধ বিরোধী চেয়ে সরকারের উপর চাপ তৈরি করেছিল।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত মিলতেই সেনাসদর থেকে স্থানীয় কমান্ডারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আর না এগতে। আপাতত স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার জানিয়েছে, হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাব বিবেচনার কথা জানানোর পর ইজরায়েল সেনা অভিযান নিয়ে নরম অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের কয়েক ঘন্টা আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছিলেন হামাসের ঘোষণার পর এবার ইজরাইলকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। হামাস বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার কথা বলার পর ইসরাইলের সামনে বিকল্প তেমন একটা ছিল না।

ট্রাম্প তার যুদ্ধ বিরোধী প্রস্তাব সম্পর্কে হামাসের উপর শর্ত চাপিয়েছিলেন। বলেছিলেন রবিবারের মধ্যে এই প্রস্তাবে মেনে না নিলে হামাসকে নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হতে পারে। দেখা গেল প্যালেস্টাইনের সংগঠনটি অনেক আগেই ট্রাম্পের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে।  তবে তারা বেশ কিছু শর্ত রেখে আলোচনায় বসার কথা ঘোষণা করে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই জাতীয় আলোচনায় সব পক্ষই পূর্ব শর্ত সামনে রাখে। আশার আলো হল, আলোচনার রাস্তা খোলা গেছে। তাতে নয়া মাত্রা যোগ করল ইজরায়েলের সিদ্ধান্ত।

এখন দেখার রবিবার পর্যন্ত দু'পক্ষ কী পদক্ষেপ করে। হামাসের শর্তগুলি কতটা গ্রহণযোগ্য হয় সে ব্যাপারেও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তুমুল কৌতূহল রয়েছে। প্যালেস্টাইনের প্রশাসনিক দায়িত্ব তাদের হাতে থাকবে তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নাম এই ব্যাপারে আলোচনায় এগিয়ে আছে। প্লেয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রশাসনিক কাউন্সিল গঠন করে আপাতত গাজা পুননির্মাণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।


```