ইরানের গ্যাস স্থাপনায় আর হামলা নয়, ট্রাম্পের অনুরোধে সিদ্ধান্ত ইজরায়েলের। ‘ভেঙে পড়ছে ইরান’—বড় দাবি নেতানিয়াহুর, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড়।
.jpg.webp)
নেতানিয়াহু
শেষ আপডেট: 20 March 2026 08:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের (Iran) গ্যাস স্থাপনায় (gas installation) আপাতত আর কোনও হামলা চালাবে না ইজরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত, জানালেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)।
একটি প্রেস বিবৃতিতে তেল আভিভের তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়, আসালুয়েহ (Asaluyeh) গ্যাস কমপ্লেক্সে (gas compound) হামলা ইজরায়েল নিজেদের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে ট্রাম্পের (Donald Trump) অনুরোধে আপাতত অতিরিক্ত হামলা বন্ধ রাখা হয়েছে। নেতানিয়াহুর জানান, “ইরানের শাসনব্যবস্থা ভাঙনের পথে” সেকথাও তাঁর কাছে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার একটি সংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, 'গত ২০ দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) ও ইজরায়েলের (Israel) যৌথ অভিযান (joint operations) ইরানের ইউরেনিয়াম উত্থান (uranium enrichment) ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ballistic missile) তৈরির ক্ষমতাকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। প্রথম ধাপে ধ্বংস করা হয় মিসাইলের ভাণ্ডারগুলি (missile stockpiles), তারপর ড্রোন (drone) এবং পারমাণবিক (nuclear) কেন্দ্রগুলি। বর্তমানে লক্ষ্য করা হচ্ছে সেই সব ক্ষেত্রগুলিকে যার উপর ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠন নির্ভরশীল।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, এই যৌথ অভিযান “সমগ্র বিশ্বকে সুরক্ষিত রাখছে”। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিয়ে বাড়াবাড়ি (missile and drone capabilities) কার্যত থামিয়ে দিয়েছে এই অভিযান। শতাধিক লঞ্চার (launchers) এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র (weapons-production facilities) ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি রুট (energy routes) নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পুনরায় খুলতে উদ্যোগী হয়েছে, যাতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম (oil prices) স্থিতিশীল থাকে।
তবে, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার (energy security) জন্য হরমুজ (Hormuz) ও মান্দেব প্রণালী (Strait of Mandeb)-র মতো ‘চোক পয়েন্ট’ (choke points) এড়িয়ে বিকল্প পথ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করছে তেল আভিভ। নেতানিয়াহুর প্রস্তাব, আরব উপদ্বীপজুড়ে পাইপলাইন (pipeline) তৈরি করে ইজরায়েলের ভূমধ্যসাগরীয় (Mediterranean) বন্দর পর্যন্ত জ্বালানি পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি (nuclear program) রুখতে ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথা তুলে ধরেন শেষে। এই অংশীদারিত্বই বড় বিপর্যয় (catastrophic development) ঠেকানোর একমাত্র উপায়।