Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কোথায়? মোজতবার অন্তরালে থাকা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বড় দাবি রাশিয়ার

মোজতবা খামেনেইয়ের অবস্থান সেই জল্পনায় কিছুটা ইতি টানল রাশিয়া (Russia about Mojtaba Khamenei)। ধোঁয়াশা কিছুটা কাটলেও, তাঁর অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন কিন্তু এখনও থেকেই যাচ্ছে।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কোথায়? মোজতবার অন্তরালে থাকা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বড় দাবি রাশিয়ার

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 1 April 2026 13:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই (Iran Supreme Leader news) দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় এক মাস কেটে গেছে, তবু এখনও তাঁর উপস্থিতি (Mojtaba Khamenei whereabouts) নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। এই সময়কালের মধ্যে তাঁর একাধিক বিবৃতি সামনে এসেছে, সেগুলি জাতীয় টেলিভিশনে পড়ে শোনানোও হয়েছে। কিন্তু নিজে কোথাও প্রকাশ্যে আসেননি তিনি (where is Mojtaba Khamenei)। ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও অবস্থান নিয়ে জল্পনা (Khamenei health rumours) ক্রমশ বাড়ছিল।

অবশেষে সেই জল্পনায় কিছুটা ইতি টানল রাশিয়া (Russia about Mojtaba Khamenei)।

ইরানে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্সেই দেডভ জানিয়েছেন, মোজতবা খামেনেই এখন ইরানেই রয়েছেন। তবে আপাতত কেন তিনি জনসমক্ষে আসা এড়িয়ে চলছেন, তা 'যুক্তিসাপেক্ষ' বলেই রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান তিনি।

মোজতবা খামেনেই তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুদ্ধের শুরুতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আলি খামেনেই, এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এরপরই নতুন নেতা হিসেবে সামনে আসেন মোজতবা। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতাও আহত এবং সম্ভবত গুরুতরভাবে বিকৃত হয়েছেন।

এদিকে, একটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, চিকিৎসার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে মোজতবাকে মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Iran Russia relations)।

যদিও রাশিয়ার দূতের বক্তব্য (মোজতবা ইরানেই রয়েছেন) এই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষত, রাশিয়া ও ইরানের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, গত বছরই দুই দেশ একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জনতার প্রতিক্রিয়া

আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু এবং তাঁর উত্তরসূরী মোজতবা খামেনেইয়ের এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি সত্ত্বেও ইসলামিক শাসনের প্রতি অনুগত মানুষের মধ্যে উন্মাদনা কমেনি। গত এক মাসে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছেন।

এই সমর্থন আরও জোরালো হয়েছে, যখন ইরান আমেরিকা ও ইজরায়েলের আক্রমণের পাল্টা হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে শত্রুপক্ষের ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

আসল প্রশ্ন: দেশ চালাচ্ছে কে?

তবে সবকিছুর মাঝেই একটি বড় প্রশ্ন সামনে আসছে, মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় ইরানের বেশিরভাগ শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবাও অন্তরালে, তাহলে এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশ আসলে কে চালাচ্ছে?

মোজতবা খামেনেই গত প্রায় চার দশক ধরে তাঁর বাবার শাসনকালে মূলত পর্দার আড়ালেই থেকেছেন। প্রভাবশালী হলেও প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা গিয়েছে তাঁকে। এখন দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় আসার পরেও তাঁর এই অদৃশ্য থাকা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

একটি CNN রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি দেখাচ্ছে যে, ইসলামিক রিপাবলিকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয়তো একক ব্যক্তির চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার হাতেই বেশি কেন্দ্রীভূত হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, মোজতবা খামেনেইয়ের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা কিছুটা কাটলেও, তাঁর অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন কিন্তু এখনও থেকেই যাচ্ছে। বিশেষত, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশের নেতৃত্ব কতটা দৃশ্যমান, তা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক মহলে জোর চর্চা চলছে।


```