২ মার্চের পরিসংখ্যান বলছে, সোমবার দুবাই বিমানবন্দরে মাত্র ২০টি বিমান যাত্রীদের পরিষেবা দিতে পেরেছে। যার মধ্যে ১৬টি বিমান টেকঅফ এবং ৪টি দুবাই বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করেছে।
.jpg.webp)
দুবাই বিমানবন্দরে বিমান বাতিল
শেষ আপডেট: 3 March 2026 14:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের (Iran-Israel-US Tension) আবহে কার্যত স্তব্ধ আরবদুনিয়ার (Middle East) জনজীবন। চারদিন ধরে বন্ধ একাধিক দেশের আকাশসীমা (Airspace Closed)। এরফলে দুবাইয়ের মতো ব্যস্ত বিমানবন্দরে (Dubai Airport) অচলাবস্থা দেখা গেল। যেখানে দিনে ১ হাজারের বেশি বিমান উড়ান নিত, বিপর্যয়ের ফলে সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ২০-তে।
আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইউরোপ (Europe), এশিয়া (Asia) এবং ভারতের (India) বহু ফ্লাইট মাঝপথে বাতিল (Flight Cancelled) হয়েছে বা ঘুরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টা ব্যস্ত থাকা দুবাই বিমানবন্দর (Dubai Airport Flight Cancelled) এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়।
২ মার্চের পরিসংখ্যান বলছে, সোমবার দুবাই বিমানবন্দরে মাত্র ২০টি বিমান যাত্রীদের পরিষেবা দিতে পেরেছে। যার মধ্যে ১৬টি বিমান টেকঅফ এবং ৪টি দুবাই বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করেছে।
মাত্র এক সপ্তাহ আগেই এখানে ৫ হাজার ৬৫৪টি ফ্লাইট মুভমেন্ট হয়েছিল- ২ হাজার ৮৩০টি টেকঅফ ও ২ হাজার ৮২৪টি ল্যান্ডিং।
ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান (Israel-US Stirkes), জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা (Iran Attack)- সব মিলিয়ে টানটান পরিস্থিতি। শনিবার শুরু হওয়া এই সংঘাত আজ পড়ল চতুর্থ দিনে। এখনও উত্তেজনা বজায় রয়েছে, বলা ভাল, আরবদুনিয়া এখনও সঙ্কটের মুখে।
কমপক্ষে ৮টি দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় বহু বিমান বাতিল করতে হয়েছে। প্রভাব পড়েছে ভারতেও। কলকাতা (Kolkata), মুম্বই, আমদাবাদ, দিল্লির মতো বড় শহরগুলির বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভিড়।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। তবে সাধারণ পরিষেবা কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট উত্তর নেই।
এই সময় এই অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে মুখ খুললেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu)।
ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ সামরিক অভিযানের প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Iran Supreme Leader Khamenei Death)। এরপরই উপসাগরজুড়ে একের পর এক হামলা চলছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি কতদিন থাকবে, এনিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তবে নেতানিয়াহুর কথায়, "এটি দীর্ঘস্থায়ী কোনও যুদ্ধ নয়, বরং এই অভিযান আগামী দিনে শান্তির পথ খুলে দেবে।"
এক সাক্ষাৎকারে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে কিছুটা সময় লাগলেও এটি বছরের পর বছর চলবে না। এই অভিযান অন্তহীন যুদ্ধ নয়, বরং শান্তির দিকে যাওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।"