ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, এই হামলায় তারা ইরানের (Iran) অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে।
.jpeg.webp)
ধ্বংস সামরিক বিমানবন্দর
শেষ আপডেট: 23 June 2025 15:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের ছ’টি সামরিক বিমানবন্দরে পাল্টা ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল (Israel)। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, এই হামলায় তারা ইরানের (Iran) অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে। যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে রয়েছে এফ-১৪, এফ-৫ এবং এআইচ-১ মডেলের বিমান ও হেলিকপ্টার (Iran Israel War)।
আইডিএফ-এর দাবি, ইরান এই বিমানগুলিই ইজরায়েলের আকাশে হামলা ও অভিযান ঠেকাতে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। হামলায় ধ্বংস হয়েছে বিমানঘাঁটির রানওয়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিও।
আইডিএফ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইরানের পশ্চিম, পূর্ব এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ছ’টি সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানের আকাশে আরও বেশি প্রভাব বিস্তার করা আমাদের লক্ষ্য।”
পাশাপাশি জানানো হয়েছে, “কেরমানশাহ অঞ্চলে সেনা গোয়েন্দা বিভাগের নির্দেশে ইজরায়েলের বাহিনী এমন একাধিক রকেট লঞ্চ ও সংরক্ষণাগার ধ্বংস করেছে, যেখান থেকে ইজরায়েল লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়া হচ্ছিল।”
তারা আরও জানায়, “আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। ইরানের মিসাইল হানার মোকাবিলা করতে পালটা অভিযান জারি থাকবে।”
ঘটনা হল একদিন আগেই ইরান একের পর এক মিসাইল নিক্ষেপ করে ইজরায়েলের তেল আভিভ ও হাইফা-র দিকে। তার আগে আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি পারমাণু ঘাঁটিতে বিমানহানা চালিয়েছিল।
এই ঘটনার পর হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, “আমেরিকার হামলা সরাসরি টার্গেটে লেগেছে। পারমাণু ঘাঁটিগুলোতে বিপুল ক্ষতি হয়েছে।”
ইরান এই আমেরিকা-ইজরায়েল যৌথ হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান সাফ বলেছেন, “আমেরিকাকে এর জবাব পেতেই হবে।”
ইরানের শীর্ষ নেতা খামেইনি বলেছেন, “আমেরিকা ও ইজরায়েলের এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। শত্রুরা শীঘ্রই কঠোর প্রতিশোধের মুখোমুখি হবে।”
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর এই প্রথম কোনও পশ্চিমী শক্তি এত বড় সামরিক অভিযান চালাল ইরানে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পশ্চিম এশিয়ায়। আমেরিকার প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপ ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একাধিক দেশ। ভারতের বিদেশমন্ত্রকও জানিয়েছে, তারা উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।