প্যালেস্টাইনে ইজরায়েলি বাহিনীর অত্যাচারে তারমধ্যে চারটির নজির মিলেছে। সেগুলি হল, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর লোকজনকে হত্যা করা, তাদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা। ইচ্ছাকৃতভাবে গোষ্ঠীটিকে নিশ্চিহ্ন করতে পরিকল্পিত পরিস্থিতি তৈরি করা এবং জন্ম রোধ করা।

শেষ আপডেট: 16 September 2025 16:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৩-এর অক্টোবর থেকো ইজরায়েলি সেনার হামলায় গাজায় প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন। সেখানকার ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর এই নৃশংসতাকে গণহত্যা বলে তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে রাষ্ট্রসংঘের একটি তদন্ত কমিটি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পাঁচটি বিষয়কে বিবেচনায় রেখে কোনও হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা বলে থাকে রাষ্ট্রসংঘ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্যালেস্টাইনে ইজরায়েলি বাহিনীর অত্যাচারে তারমধ্যে চারটির নজির মিলেছে। সেগুলি হল, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর লোকজনকে হত্যা করা, তাদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা। ইচ্ছাকৃতভাবে গোষ্ঠীটিকে নিশ্চিহ্ন করতে পরিকল্পিত পরিস্থিতি তৈরি করা এবং জন্ম রোধ করা।
সাম্প্রতিক অতীতে কোনও হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রসংঘ গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দেয়নি। এর জেরে ইসরায়েলের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের রাস্তা প্রসস্ত হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে ইজরায়েলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল অন্যত্র মানবাধিকারের পক্ষে উচ্চকণ্ঠ আমেরিকা তাদের পাশে আছে। যদিও এক পর্যায়ে মার্কিন পরামর্শ উড়িয়ে হামলা অব্যাহত রাখে ইজরায়েল সেনা। ইজরায়েল যথারীতি রাষ্ট্রসংঘের তদন্তকারীদের রিপোর্টটি বর্জন করেছে। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার পাল্টা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছে, রাষ্ট্রসংঘ কি হামাসের মুখপাত্র হয়ে গেল?

প্রসঙ্গত, ২০২৩-এর অক্টোবরে হামাস প্রথম ইজরায়েলে রকেট হামলা চালায়। পাশাপাশি বেশ কিছু ইজরায়েলি এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের বন্দি করে তারা।আন্তর্জাতিক এজেন্সিগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী হামাসের হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। রাষ্ট্রসংঘ দু'পক্ষকেই সংযত হওয়ার বার্তা দিলেও ইজরায়েল তাতে কর্ণপাত করেনি। নেতানিয়াহু প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেন, গাজাকে নিশ্চহ্ন না করে থামবে না তাঁর সেনা।