ইরান (Iran) নাকি জাহাজ চলাচলের ওপর টোল বসানোর কথা ভাবছে। এমনকি দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। তবে ট্রাম্প এবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও ধরনের টোল নেওয়া চলবে না।
.jpg.webp)
ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 10 April 2026 08:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরান ও আমেরিকা যুদ্ধবিরতিতে (Iran US ceasefire) রাজি হলে আশা করা হয়েছিল হয়তো পরিস্থিতি শান্ত হবে, কিন্তু সেই লক্ষণ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ (Hormuz Pronali) পুরোপুরি সচল করতে ট্রাম্পের (US President Donald Trump) দৌড়ঝাঁপ লেগেই আছে। এরমধ্যেই ইরানকে (Iran) আরও এক হুঁশিয়ারিও দিয়ে ফেললেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, 'ইরানের ইচ্ছে থাকুক বা না থাকুক, এই জলপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।'
হরমুজ প্রণালী (Hormuz Pronali) বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট, এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এই পথেই সম্প্রতি উত্তেজনা বেড়েছে, কারণ ইরান (Iran) নাকি জাহাজ চলাচলের ওপর টোল বসানোর কথা ভাবছে। এমনকি দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। তবে ট্রাম্প এবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও ধরনের টোল নেওয়া চলবে না।
ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে (Truth Social) লেখেন, “ইরান হরমুজ প্রণালী (Hormuz Pronali) পরিচালনায় খুবই খারাপ কাজ করছে। এই আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি আরও দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির পরও খুব অল্প সংখ্যক জাহাজ এই রুট দিয়ে চলাচল করেছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উদ্বেগজনক।
এর আগে পরিস্থিতি কিছুটা নরম মনে হলেও, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে তাঁর অবস্থান কঠোর হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্ব আলোচনায় অনেক বেশি যুক্তিবাদী” এবং তিনি শান্তি চুক্তি নিয়ে আশাবাদী। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, চুক্তি না হলে পরিস্থিতি খুবই কঠিন হবে।
এই আলোচনার মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (JD Vance) পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দুই সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসন এখনও আশাবাদী যে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি চুক্তি সম্ভব। তবে বাস্তবে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে, কারণ ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যেও উত্তেজনা বাড়ছে। সম্প্রতি ইজরায়েল (Israel) লেবাননে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে, যাতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সংঘাত নতুন করে পুরো অঞ্চলের অস্থিরতা বাড়িয়েছে।