ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েত বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, বাড়ছে উদ্বেগ।

কুয়েত বিমানবন্দরে তেলের ট্যাঙ্কে আগুন
শেষ আপডেট: 25 March 2026 12:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৫ শর্ত দিয়ে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা ট্রাম্পের। 'ডোন্ট কেয়ার' করে ইরান ফের হামলা চালাল কুয়েত বিমানবন্দরে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিমানবন্দরে (Kuwait Airport) মঙ্গলবার রাতে ড্রোন হামলা (Drone Strike) চালানো হয়েছে, রাতের আকাশ ঢেকে গেছিল ঘন ধোঁয়ায়। হামলায় বিমানবন্দরের একাধিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনও প্রাণহানির (No Casualties) খবর নেই।
কুয়েতের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি (Civil Aviation Authority) জানিয়েছে, ইরানের (Iran) ছোড়া ড্রোন একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কে (Fuel Tank) আঘাত হানে, যার জেরে আগুন লাগে। যদিও ক্ষয়ক্ষতি ‘সীমিত’ (Limited Damage) বলেই দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েত সেনা (Kuwait Army) জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) ও ড্রোন হামলার মোকাবিলায় তাদের এয়ার ডিফেন্স (Air Defence) ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
অন্যদিকে, কুয়েত ন্যাশনাল গার্ড (Kuwait National Guard) দাবি করেছে, তাদের বাহিনী মোট ছ’টি ড্রোন (Six Drones) ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের (Regional Conflict) মধ্যে কুয়েত বিমানবন্দর আগেই একাধিকবার হামলার নিশানায় এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইজরায়েল (Israel) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে।
এর আগে ১৪ মার্চও বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই হামলায় বিমানবন্দরের রাডার সিস্টেম (Radar System) ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি। যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়েছে। কঠোর নজরদারি চলছে গোটা এলাকায়।
সব মিলিয়ে, এক মাসের কাছাকাছি পৌঁছনো এই যুদ্ধের আবহে কুয়েতে নতুন করে ড্রোন হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। যদিও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।