Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

এইচআইভি মোকাবিলায় মার্কিন অর্থসাহায্য বন্ধ, বাড়বে মৃত্যু! ‘সিস্টেমিক শক’ বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

২০২৫ সালের জন্য আমেরিকা যে ৪ বিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা জানুয়ারিতে আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

এইচআইভি মোকাবিলায় মার্কিন অর্থসাহায্য বন্ধ, বাড়বে মৃত্যু! ‘সিস্টেমিক শক’ বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

শেষ আপডেট: 10 July 2025 23:04

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বজুড়ে এইচআইভি-এইডস (HIV Aids) রুখতে আমেরিকা-নেতৃত্বাধীন সহায়তা গত দু'-দশকে জীবনরক্ষার এক আশ্বাস হয়ে উঠেছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন, জীবন পেয়েছে কোটি কোটি পরিবার। কিন্তু সেই লড়াই আজ ভেঙে পড়ার মুখে।

রাষ্ট্রসঙ্ঘের (United Nation) একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, গত ছয় মাসে হঠাৎ করে মার্কিন অর্থসাহায্য বন্ধ হওয়ায় গোটা এইচআইভি মোকাবিলা ব্যবস্থায় ভয়াবহ ‘সিস্টেমিক শক’ তৈরি হয়েছে। এবং এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত না সামলানো যায়, তবে ২০২৯ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৪০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে এইডসজনিত কারণে। পাশাপাশি সংক্রমিত হতে পারেন আরও ৬০ লক্ষ মানুষ।

২০২৫ সালের জন্য আমেরিকা যে ৪ বিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা জানুয়ারিতে আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশে সমস্ত অনুদান বন্ধ করার নির্দেশ দেন, এমনকি বন্ধ করে দেওয়া হয় ইউএসএএইড সংস্থাও। ফলে একরাতে বন্ধ হয়ে যায় বহু হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পরীক্ষা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি। বহু স্বাস্থ্যকর্মী চাকরি হারান, থমকে যায় ওষুধ সরবরাহ, বন্ধ হয়ে যায় তথ্যভিত্তিক গবেষণাও।

এই ধাক্কায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাব-সাহারান আফ্রিকা, যেখানে এইচআইভির সংক্রমণ এখনও ভয়াবহ হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

২০০৩ সালে জর্জ বুশের উদ্যোগে শুরু হয়েছিল PEPFAR (President's Emergency Plan for AIDS Relief)। এটি ছিল কোনও একক রোগের বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি প্রতিশ্রুতি। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি ৮৪.১ মিলিয়ন মানুষকে পরীক্ষার সুযোগ দিয়েছে, ২০.৬ মিলিয়ন রোগীকে দিয়েছে ওষুধ ও চিকিৎসা।

নাইজেরিয়ার মতো দেশে ৯৯.৯ শতাংশ এইচআইভি প্রতিরোধ ওষুধের জন্য অর্থ জুগিয়েছে এই কর্মসূচি। অথচ এখন সেই সহায়তা নেই।

বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আকস্মিক সরে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ববোধের পরিপন্থী। ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের এইচআইভি গবেষক অ্যান্ড্রু হিল বলেন, "এই সিদ্ধান্তের ফলে গোটা আফ্রিকায় হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাহীন হয়ে পড়েছেন। কোনও দায়িত্বশীল সরকার এমনটা করে না।"

ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স-এর দক্ষিণ আফ্রিকা শাখার প্রধান টম এলম্যান বলেন, "আমরা চেষ্টা করলেও মার্কিন অর্থসাহায্যের অভাব কখনও পূরণ করতে পারব না।"

গিলিয়াড নামক সংস্থা সম্প্রতি Yeztugo নামের একটি ইনজেকশন বাজারে এনেছে, যা বছরে মাত্র দু'বার নিলেই এইচআইভি প্রতিরোধ সম্ভব। তবে সেই ওষুধের দাম এতটাই বেশি যে বহু দেশই তা কিনতে পারবে না। যদিও গিলিয়াড ১২০টি দরিদ্র দেশে জেনেরিক সংস্করণ বিক্রির অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু বাদ পড়েছে লাতিন আমেরিকার প্রায় সমস্ত দেশ।


```