‘ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া’-র তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, 'আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার যাত্রী এবং কর্মীদের নিরাপত্তা। এই ঘটনায় যাঁরা তৎপরতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।' এখনও পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি কীভাবে আগুন লেগেছিল।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 23 July 2025 12:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাঝ আকাশে আচমকাই যাত্রীবাহী বিমানে আগুন। সোমবার ‘ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া’-র একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। কেবিন ক্রুদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় (Virgin Australia flight from Sydney to Hobart)। কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, এক যাত্রীর লাগেজে রাখা পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকেই এই আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে (Battery fire on Virgin flight from Sydney)।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে হোবার্ট যাচ্ছিল বিমানটি। জানা গিয়েছে, অবতরণের কিছুক্ষণ আগেই হঠাৎ করে ‘ভিএ১৫২৮’ নম্বরের বিমানটির ওভারহেড লকার থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনও ছড়াতে শুরু করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। তবে কোনওরকম দেরি না করে কেবিন ক্রুরা সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন (Cabin crew swiftly extinguished the fire)।
পরে জানা যায়, বিমানের এক যাত্রীর মালপত্রের মধ্যেই ছিল একটি পাওয়ার ব্যাঙ্ক। সেখান থেকেই আগুন ধরে যায়। কেবিন কর্মীরা দ্রুত সেই ব্যাগটি সরিয়ে ফেলেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ঘটনার সময় বিমানে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। কারও গুরুতর কোনও ক্ষতি হয়নি। একজন যাত্রীর সামান্য শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি এখন সুস্থ বলেই জানা গিয়েছে।
খবর পেতেই হোবার্ট বিমানবন্দরে জরুরি পরিষেবা দল প্রস্তুত করা হয়। বিমান অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।
‘ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া’-র তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, 'আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার যাত্রী এবং কর্মীদের নিরাপত্তা। এই ঘটনায় যাঁরা তৎপরতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।' এখনও পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি কীভাবে আগুন লেগেছিল। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ওই পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকেই আগুন ছড়িয়েছে।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো (ATSB) এবং সিভিল অ্যাভিয়েশন সেফটি অথরিটি (CASA)। যদি প্রমাণিত হয় যে পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকেই আগুন লেগেছে, তবে বিমানে লিথিয়াম ব্যাটারির ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়ম ফের একবার পর্যালোচনা করতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।