মার্কিন ভূতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন ইরানের কোম শহরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 21 June 2025 08:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইজরায়লকে (Israel) গোলা, ক্ষেপণাস্ত্রের ধাক্কায় চোখের পাতা এক করার উপায় নেই। তারমধ্যেই ভূমিকম্পে (earthquake) কেঁপে উঠল ইরান। ভারতীয় সময় শুক্রবার রাতে রিখটার স্কেলে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রাজধানী তেহরান (Tehran) -সহ ইরানের বহু জায়গার মানুষ বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও ইজরায়েলি হানার কারণে নাগরিকদের যথাসম্ভব বাড়ির ভিরতে থাকতে বলা হয়েছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন ইরানের কোম শহরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সবাই চিন্তিত পরবর্তী কম্পন নিয়ে।
এদিকে, ইজরায়েলি হামলার সমালোচনা করে ইরানের সমর্থনে ইয়েমেন, তুরস্ক, লেবানন এবং ইরাকে। আগেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। এক সাবেক ইজরায়েলি মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁদের পরবর্তী টার্গেট পাক পরমাণ বোম উৎপাদন প্রকল্প। পাকিস্তানকে পরমাণু শক্তিহীন দেশে পরিণত করা জরুরি।
ইরানের হয়ে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে পারে তুরস্ক। তারা অপেক্ষা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার। তিনদিন আগে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি দু সপ্তাহ পর সিদ্ধান্ত নেবেন যুদ্ধে আমেরিকা জড়াবে কিনা।

ইরানের সমর্থনে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঢল।
যদিও মার্কিন নাগরিকেরা হোয়াইট হাউসের বাইরে লাগাতার বিক্ষোভ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তারা বলছেন, ইরানে নাক গলাবেন না। অন্যদিকে, তুরস্কের নাগরিকেরা চাইছেন ইজরায়েল ও আমেরিকাকে জবাব দিক তাদের দেশ।
ইরাকে বাগদাদ ছাড়াও বড় শহর বশরাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরাকের প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা তথা মিলিশিয়া কমান্ডার মুক্তাদা আল-সদর ইরানি নেতাদের ঘনিষ্ঠ। তাঁর সমর্থকেরা বাগদাদ ও বুশরা শহরে পথে নেমেছে। বিক্ষোভে উত্তাল ইস্তাম্বুলও। তুরস্কের মানুষের বক্তব্য, তাদের দেশ যেন হাত গুটিয়ে না থাকে। ইজরায়েল ও আমেরিকাকে জবাব দেওয়া জাতীয় কর্তব্য। লেবাননের রাজধানী বেইরুটও উত্তাল। ইরানের সমর্থনে সেখানেও হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছেন।