ইরান শর্ত না মানলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিক্রিয়া সীমিত পরিসর ছাড়িয়ে বিস্তৃত সামরিক অভিযানে রূপ নিতে পারে, যার লক্ষ্য হবে ইরানি সরকারের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 February 2026 11:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পারমাণবিক চুক্তি (US Iran Nuclear Deal) ঘিরে ইরানের উপর চাপ বাড়াতে সীমিত সামরিক হামলার অনুমোদন দেওয়ার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের নির্দিষ্ট সামরিক বা সরকারি ভবনে আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের (US Iran Clash)।
উদ্দেশ্য, তেহরানকে পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য করা, তবে এমনভাবে যাতে তাৎক্ষণিক সংঘাত না বাড়ে। সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে কয়েক দিনের মধ্যেই এমন হামলা হতে পারে।
তবে ইরান শর্ত না মানলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে (Iran US Conflict)। সে ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিক্রিয়া সীমিত পরিসর ছাড়িয়ে বিস্তৃত সামরিক অভিযানে রূপ নিতে পারে, যার লক্ষ্য হবে ইরানি সরকারের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। এমনকি তেহরানের নেতৃত্বকে অস্থির বা দুর্বল করে দেওয়ার কৌশলও বিবেচনায় থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ।
এরই মধ্যে পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান (Iran)। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেজ (Antonio Guterres)-কে পাঠানো এক চিঠিতে তেহরান জানিয়েছে, আক্রমণ হলে সংশ্লিষ্ট যে কোনও শক্তির আঞ্চলিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ ও প্রত্যক্ষ দায় নিতে হবে সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য - এমন বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানকে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন ট্রাম্প। উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছতে হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকে জেনেভায় হওয়া সাম্প্রতিক পারমাণবিক আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের পর ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, শিগগিরই কোনও সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। তাঁর কথায়, আগামী প্রায় ১০ দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে চুক্তি হবে কিনা। আলোচনায় অগ্রগতি হলেও ইরানকে আরও কঠোর শর্ত মানতে হবে বলে তিনি জোর দেন। অন্যথায় খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
একই সঙ্গে, আরব দুনিয়ায় যুদ্ধবিমান ও সহায়ক সামরিক বিমান দ্রুত পাঠানো হচ্ছে বলে খবর (Middle East Military Tension)। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৩ সালে ইরাক অভিযানের পর এই প্রথম এত বড় আকারে মার্কিন বায়ুসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে ওই অঞ্চলে।