মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-ইরান সংঘাত তীব্র হওয়ায় তথ্যযুদ্ধ ও ভুয়ো খবরের প্রবণতাও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 13 March 2026 13:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) মৃত্যু হয়েছে বলে জোরদার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একাধিক ভিডিও ও পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের বিমান হামলায় নেতানিয়াহু মারা গেছেন। তবে জেরুজালেম এই দাবি সরাসরি ‘ভুয়ো খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
কীভাবে ছড়াল গুজব
এই গুজবে মূল ইন্ধন জুগিয়েছে ইরানের সরকার ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম। কিছু ইরানি সংবাদসংস্থা দাবি করেছে, ইরানের খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর দফতরকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে। এরপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা জল্পনা শুরু হয়—নেতানিয়াহু কি আহত হয়েছেন, নাকি নিহত? কিছু পোস্টে আবার দাবি করা হয়েছে, হামলায় নেতানিয়াহুর ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহু এবং ইজরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও মারা গেছেন।
هذا مايحدث داخل الكيان ولاكن هناك تكتم اعلامي عربي عبري شديد ولهذا نرجو إعادة النشر يارجااااال الله افضحو صهاينة العرب..
العملية مستمرة اليلة.. pic.twitter.com/SrsVbRg08K— بركان المسيرة (@AlnsarAllah10) March 11, 2026
কেন বাড়ছে জল্পনা
ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, কয়েকটি কারণে এই জল্পনা বাড়ছে—প্রায় তিন দিন ধরে নেতানিয়াহুর কোনও ভিডিও প্রকাশ হয়নি। চার দিন ধরে তাঁর নতুন কোনও ছবি সামনে আসেনি। সাম্প্রতিক সব বিবৃতি শুধু লিখিত আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি ৮ মার্চ থেকে নেতানিয়াহুর বাড়ির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। কারণ তাঁর বাড়ির উপর ড্রোন হামলার আশঙ্কা ছিল। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের** ইজরায়েল সফরও বাতিল হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
Sources indicate that Netanyahu died in an Iranian airstrike. 🇮🇱
Is this true news ? pic.twitter.com/nEupj1A2Qb— Afghanistan Primeminister (@AfganPm) March 10, 2026
তবে ইজরায়েল সরকার এই সব দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব বলে জানিয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো খবরগুলির কোনও সত্যতা নেই। মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-ইরান সংঘাত তীব্র হওয়ায় তথ্যযুদ্ধ ও ভুয়ো খবরের প্রবণতাও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।