Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পেন্টাগনের রিপোর্টে ক্ষুব্ধ বেজিং, ভারত-চিন সম্পর্কে ‘ভুয়ো গল্প’ ছড়ানোর অভিযোগ আমেরিকার বিরুদ্ধে

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে ভবিষ্যতে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়েও নাকি ভাবনাচিন্তা করছে বেজিং। এই প্রসঙ্গে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও ঝাং বলেন, এই রিপোর্ট ভৌগোলিক রাজনীতির পক্ষপাত দৃষ্টিভঙ্গিতে ভরা এবং তথাকথিত ‘চিন সামরিক হুমকি’ বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

পেন্টাগনের রিপোর্টে ক্ষুব্ধ বেজিং, ভারত-চিন সম্পর্কে ‘ভুয়ো গল্প’ ছড়ানোর অভিযোগ আমেরিকার বিরুদ্ধে

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 26 December 2025 15:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত-চিন সীমান্ত (India-China Border) পরিস্থিতি ও পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা নিয়ে পেন্টাগনের (Pentagon) সাম্প্রতিক রিপোর্টকে তীব্র ভাষায় খারিজ করল চিন (China)। বেজিংয়ের অভিযোগ, এই রিপোর্টের মাধ্যমে চিনের প্রতিরক্ষা নীতি বিকৃত করা হচ্ছে এবং ভারত-চিন ও চিন-পাকিস্তান (China-Pakistan Relation) সম্পর্ক ঘিরে বিভ্রান্তিকর গল্প ছড়িয়ে ওয়াশিংটন নিজের সামরিক আধিপত্য বজায় রাখতে চাইছে।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেজিংয়ে (Bejing) এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “পেন্টাগনের এই রিপোর্ট চিনের প্রতিরক্ষা নীতিকে বিকৃত করছে, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে এবং আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব টিকিয়ে রাখার অজুহাত খুঁজছে।” তিনি স্পষ্ট জানান, এই রিপোর্টের তীব্র বিরোধিতা করছে চিন।

একই সুরে পেন্টাগনের রিপোর্টের সমালোচনা করেছেন চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাং শিয়াওগাং। তাঁর বক্তব্য, বছরের পর বছর এই ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করে আমেরিকা চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। ঝাং বলেন, চিনের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে এবং সামরিক আধুনিকীকরণকে ‘হুমকি’ হিসেবে দেখিয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে (International Sector) বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ‘মিলিটারি অ্যান্ড সিকিউরিটি ডেভেলপমেন্টস ইনভলভিং দ্য পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ২০২৫’ শীর্ষক বার্ষিক রিপোর্টে পেন্টাগন দাবি করেছে, লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) বরাবর উত্তেজনা কমিয়ে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বেজিং, যাতে আমেরিকা (USA) ও ভারতের ঘনিষ্ঠতা ঠেকানো যায়। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ সহযোগিতা আরও জোরদার করছে চিন (China)।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে ভবিষ্যতে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়েও নাকি ভাবনাচিন্তা করছে বেজিং। এই প্রসঙ্গে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও ঝাং বলেন, এই রিপোর্ট ভৌগোলিক রাজনীতির পক্ষপাত দৃষ্টিভঙ্গিতে ভরা এবং তথাকথিত ‘চিন সামরিক হুমকি’ বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

ভারত-চিন সম্পর্ক প্রসঙ্গে লিন জিয়ান জানান, বেজিং দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখে। তাঁর কথায়, “চিন যোগাযোগ বাড়াতে, পারস্পরিক আস্থা জোরদার করতে এবং মতপার্থক্য যথাযথ ভাবে সামলে একটি স্থিতিশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়তে প্রস্তুত।”

এলএসি নিয়ে পেন্টাগনের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্ত প্রশ্ন একান্তই ভারত ও চিনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি মোটের উপর স্থিতিশীল। নিয়মিত যোগাযোগও বজায় রয়েছে বলে দাবি তাঁর।

পেন্টাগনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকের আগে এলএসি-র বাকি সংঘর্ষস্থলগুলি থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর থেকেই সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সরাসরি বিমান পরিষেবা, ভিসা সহজীকরণ এবং শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকদের আদানপ্রদান নিয়ে নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়।

এছাড়াও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তাইওয়ান, দক্ষিণ চিন সাগর, সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ এবং অরুণাচল প্রদেশকে ঘিরে সার্বভৌমত্বের প্রশ্নকে ‘কোর ইন্টারেস্ট’-এর আওতায় এনে সামরিক অবস্থান আরও কঠোর করেছে চিন। এই সমস্ত দাবিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং।


```