Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেইনীতীশ জমানার অবসান! বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ‘সুশাসন বাবু’র, কালই কি উত্তরসূরির শপথমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার থানাগুলোকে নির্দেশ লালবাজারের‘মমতা দুর্নীতিগ্রস্ত! বাংলায় শুধু সিন্ডিকেট চলে, কাজই বেকারের সংখ্যা বাড়ানো’, মালদহে রাহুল‘আমার মতো নয়’! সন্দেহের বশে ৬ বছরের ছেলেকে নদীতে ফেলে খুন, দেহ ভেসে উঠতেই ফাঁস বাবার কীর্তি

ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলা! আরও চাপে তেহরান, জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি সময়ের অপেক্ষা

ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলার ঘটনায় বাড়ল উদ্বেগ। তেহরানের উপর বাড়ছে চাপ।
 

ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলা! আরও চাপে তেহরান, জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি সময়ের অপেক্ষা

ইরানে ইজরায়েলের হামলা

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 8 March 2026 11:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নতুন মোড় নিচ্ছে। এবার সরাসরি ইরানের সবচেয়ে বড় তেলের খনিতে হামলা চালাল ইজরায়েল। আমেরিকার সমর্থনে তেহরানের (Tehran) আশপাশে একাধিক তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ও রিফাইনারি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর। সেই রিপোর্ট রবিবার প্রকাশ করেছে এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যম।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের (Iran) ঘরোয়া জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়া। তাই তেহরানের আশপাশে থাকা বড় বড় তেল সংরক্ষণ ট্যাঙ্কে আঘাত হানা হয়। এর ফলে সামরিক পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সাধারণ পরিবহণ সব ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হতে পারে।

রাজধানীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত

রিপোর্টে বলা হয়েছে, তেহরানের কাছে কয়েকটি বড় জ্বালানি কেন্দ্রে হামলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহর-ই-রে রিফাইনারি কমপ্লেক্স (Shahr-e Rey refinery complex), শাহরান ডিপো (Shahran fuel depot), কুহাক এলাকা (Kouhak) এবং কারাজ–ফারদিস অঞ্চল (Karaj–Fardis)।

সংঘাত শুরুর পর ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় এটিই অন্যতম বড় সরাসরি হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। শুরুতে লক্ষ্য ছিল মূলত সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র বা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়া। এখন সেই কৌশল বদলে অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দিকে ঝুঁকছে আক্রমণ।

বিশেষজ্ঞের মতে, রাজধানীর এত কাছে থাকা জ্বালানি কেন্দ্রগুলিতে আঘাত হানার উদ্দেশ্য স্পষ্ট—ইরানের ভেতরে চাপ বাড়ানো।

জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা

এই হামলার ফলে বড় ধরনের আগুন, বিস্ফোরণ বা জ্বালানি লিকের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়তে পারে তেহরান ও আশপাশের এলাকায়। এই সব ডিপো থেকে মূলত পেট্রল, ডিজেল এবং সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। ফলে পরিবহণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প এবং দৈনন্দিন নাগরিক জীবনেও প্রভাব পড়তে পারে।

অনেকেই বলছেন, যদি এই জ্বালানি সরবরাহ দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হয়, তাহলে তা ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার উপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

আপাতত রফতানিতে বড় ধাক্কা নয়

তবে হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত অভ্যন্তরীণ রিফাইনারি ও সংরক্ষণ কেন্দ্র। ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র—খার্গ আইল্যান্ড (Kharg Island), আবাদান রিফাইনারি (Abadan refinery) বা বান্দার আব্বাস (Bandar Abbas)—এই হামলার আওতার বাইরে রয়েছে। ফলে আপাতত আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা নেই। বিশেষ করে চিন (China) জানাচ্ছে, ইরানের তেল রফতানি এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।

বাড়তে পারে জ্বালানি সংঘাত

তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে শীঘ্রই। ইরান ইতিমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরামকোর রাস তানুরা কেন্দ্র (Ras Tanura) এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও কাতারের (Qatar) কিছু জ্বালানি ও ডেসালিনেশন প্ল্যান্ট।

উত্তেজনা বাড়লে ইরান হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) লক্ষ্য করেও বড় পদক্ষেপ করতে পারে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। তাই তখন সমস্যা হলেও হতে পারে। দেখা দিতে পারে জ্বালানি সংকট।


```