দেশজুড়ে যুদ্ধ বিরোধী সমাবেশ ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত বিচলিত। এই নিয়ে তৃতীয় দফায় প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়েছে আমেরিকাজুড়ে। সে দেশের ৫০টির বেশি প্রদেশে কয়েকশো সমাবেশ হয়েছে।
.jpg.webp)
ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 1 April 2026 07:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের ওপর যুদ্ধ (Iran US Conflicts) চাপিয়ে দিয়ে দেশের মধ্যে বড় ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে আমেরিকার বড় শহর গুলিতে চলছে তুমুল ট্রাম্প বিরোধী খুব সমাবেশ। অবিলম্বে মার্কিন সেনাদের (US Army) দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হচ্ছে সমাবেশ গুলিতে।
এদিকে ভারতীয় সময় মঙ্গলবার বেশি রাতে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। সেই ভাষণে তিনি চলতি পরিস্থিতি সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করবেন।
জানা গিয়েছে দেশজুড়ে যুদ্ধ বিরোধী সমাবেশ ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত বিচলিত। এই নিয়ে তৃতীয় দফায় প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়েছে আমেরিকাজুড়ে। সে দেশের ৫০টির বেশি প্রদেশে কয়েকশো সমাবেশ হয়েছে। আশি লাখের বেশি মানুষ সমাবেশ গুলিতে ট্রাম্প বিরোধী আওয়াজ তুলেছেন।
এদিকে ট্রাম্প নিজেও মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। সেই আলাপচারিতায় তিনি আভাস দেন দু তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থামানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের তার লক্ষ্য সফল হয়েছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠানগুলি ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন আমেরিকা তখনই যুদ্ধ থামাবে যখন এটা স্পষ্ট হবে যে ইরান আর হিংসা চাইছে না।
ঘটনাচক্রে ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে এই কথা বলছেন তখন দুবাই বিমানবন্দরের (Dubai Airport) অদূরে কুয়েতের একটি জ্বালানি মজুত জাহাজে বড় ধরনের হামলা চালায় ইরান। সেটি চিনে যাওয়ার জন্য দুবাই উপকূলে অপেক্ষা করছিল।
এদিকে যুদ্ধ গুটিয়ে আনার পক্ষে যুক্তি সাজাতে শুরু করেছেন মার্কিন সামরিক কর্তারাও। তারাও প্রেসিডেন্ট এর সুরে বলতে শুরু করেছেন ইরানে তাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এ পর্যন্ত যুদ্ধে সাফল্য বর্ণনা করতে গিয়ে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন দাবি করেছেন, গত ৩০ দিনে ইরানের ১১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ১৫০টির বেশি জাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
অন্যদিকে ইরানের অভিযোগ আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে মঙ্গলবার মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী তেহরানের কাছে একটি ওষুধ যত কারখানায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সেখানে অ্যানেস্থিসিয়া এবং ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি হতো।