Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পরই হরমুজ নিয়ে অবস্থান বদল ইরানের! মার্কিন-ইজরায়েলি ঘাঁটি ধংসের হুমকিও

রবিবারই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) মাত্র ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘পুরোপুরি ধ্বংসাত্মক’ হামলা চালানো হবে। 

ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পরই হরমুজ নিয়ে অবস্থান বদল ইরানের! মার্কিন-ইজরায়েলি ঘাঁটি ধংসের হুমকিও

ছবি-এআই

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 22 March 2026 15:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরবদুনিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে (Middle East tension)  কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিল ইরান (Iran)। প্রায় তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালী (Hormuz Pronali) নিয়ে নিজেদের অবস্থান খানিক বদলাল তেহরান (Tehran)। জানানো হয়েছে, 'শুধুমাত্র শত্রু দেশগুলির জাহাজ ছাড়া বাকি সব দেশের জাহাজ এই জলপথে পারাপার করতে পারবে।' ট্রাম্পের হরমুজ খোলা নিয়ে ডেডলাইনের পরই ইরানের এই সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে (US Israel) পরোক্ষভাবে ‘শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করল তারা, এই প্রশ্নও উঠছে।

রবিবারই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) মাত্র ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘পুরোপুরি ধ্বংসাত্মক’ হামলা চালানো হবে। এমনকি ইরানের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রকে লক্ষ্য করেই অভিযান শুরু করা হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

ইরানের (Iran) তরফে প্রতিনিধি আলি মুসাভি জানিয়েছেন, যে জাহাজগুলোর সঙ্গে ইরানের শত্রু দেশগুলোর যোগ নেই, তারা নিরাপত্তার চিন্তা না করে স্বাভাবিকভাবেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। তাঁর মতে, তেহরান চায় আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে এই জলপথ ব্যবহার হোক এবং সমুদ্রপথে কাজ করা নাবিকেরা নিরাপদ থাকুক।

তিনি আরও বলেন, এই উত্তেজনার মূল কারণ হল সাম্প্রতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের (United States ও Israel) ইরানে করা হামলা। তাঁর ভাষায়, “কূটনীতিই ইরানের অগ্রাধিকার। তবে আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ করা এবং পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা আরও গুরুত্বপূর্ণ।”

চলতি মাসের শুরুতেই ইরান হরমুজ প্রণালী (Hormuz Pronali) কার্যত বন্ধ করে দেয়। তেহরান ঘোষণা করে, এক ফোঁটা তেলও আমেরিকা, ইজরায়েল বা তাদের সহযোগী দেশের কাছে যেত দেওয়া হবে না। এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যায়। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়।

তীব্র সংঘাতের জেরে প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজের সংখ্যা কমে গিয়েছে। মার্কিন–ইজরায়েলি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার ভয়ে অনেক বাণিজ্যিক জাহাজই রুট বদল করেছে বা নোঙর করে অপেক্ষা করছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

এদিকে NATO-র বেশিরভাগ দেশই জানিয়েছে, তারা ইরানের (Iran) বিরুদ্ধে কোনও নৌ-অভিযানে যুক্ত হতে চায় না। যদিও মার্কিন প্রশাসন হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে এসকর্ট করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক নৌজোট তৈরির চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের আলটিমেটাম নিয়ে ইরানের (Iran on Trump's 48-Hour Ultimatum) সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারির স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যদি আমেরিকা ইরানের বৈদ্যুতিক কেন্দ্রে হামলা করে, তবে আরব দুনিয়াজুড়ে আমেরিকা ও ইজরায়েল-সংযুক্ত জ্বালানি অবকাঠামো, বিভিন্ন প্লান্ট এবং আইটি নেটওয়ার্ক লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানবে ইরান।

এই হুঁশিয়ারিতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে জল ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ঘিরে পরিস্থিতিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


```