পুজোর হুল্লোড় মানেই রাতজাগা, ভিড় আর অঢেল খাওয়া-দাওয়া। তবে এই সময়ে সুস্থ থাকতে কিছু নিয়ম মানা জরুরি। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন কী খাওয়া উচিত, কী এড়িয়ে চলা ভাল এবং কোন অভ্যাস রাখলে শরীর থাকবে ফিট।

এআই দিয়ে তৈরি ছবি
শেষ আপডেট: 11 September 2025 11:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেপ্টেম্বরের শেষে পুজো। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, এবার ভ্যাপসা গরম কাহিল করে দিতে পারে শরীর। ভিড়, ঘাম, সারাদিন রাস্তায় হাঁটা আর সঙ্গে অতিরিক্ত খাওয়া, সব মিলিয়ে অস্বস্তি হতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, অসুস্থ না হতে চাইলে এই সময়ে একটু সাবধানে থাকলেই শরীর ঝরঝরে থাকবে, মেজাজও ফুরফুরে হবে।
প্রথমেই যেটা দরকার সেটা হল জল খাওয়া। ঘাম যত বেশি, তত জল খাওয়া জরুরি। সারাদিন ঠাকুর দেখতে বেরোলে ব্যাগে রাখুন জলের বোতল। গরমে ডিহাইড্রেশন সবচেয়ে বড় সমস্যা। এক বোতল ওআরএস বা লেবুজল থাকলে সুবিধা হয়। তবে কার্বোনেটেড কোলা জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলা ভাল।
খাওয়াদাওয়ার দিকে বাড়তি নজর দিন। পুজো মানেই ফুচকা, চাউমিন, চপ-কাটলেট—সব জাঙ্ক ফুডের ভিড়। চিকিৎসকরা বলছেন, একেবারেই বারণ নয়, তবে সীমিত মাত্রায় খান। তেলেভাজা কম খান। গরমে এগুলো খেলে অম্বল, গ্যাস, হজমের সমস্যা বাড়তে পারে। পেট যেন গুবলেট না হয়, তাই মাঝে মাঝে ফল আর দই খেয়ে নিন।
রাস্তায় বেরোলে খোলা জল বা কাটা ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তার বদলে ঘর থেকে ফল কেটে নিয়ে বেরোনো বুদ্ধিমানের কাজ।
গরমে শরীর ঝিমঝিম করলে হালকা পোশাক পরুন। সুতি বা লিনেনের জামা পরে বেরোলে ঘাম কমবে। ঠাকুর দেখতে অনেক হাঁটাহাঁটি করতে হলে আরামদায়ক জুতো বেছে নিন।
ডাক্তারদের মতে, ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে গরমে অনেকেই মাথা ঘোরা বা বমি ভাব হয়ন। সঙ্গে রাখুন গ্লুকোজ। প্রয়োজনে একটু খেয়ে নিন।
শরীরচর্চার অভ্যাস যদি থাকে, পুজোর দিনেও সেটি একেবারে বাদ দেবেন না। সকালে সামান্য হাঁটাহাঁটি করলে শরীর হালকা থাকবে। আর সবচেয়ে জরুরি, পুজোর দিনে রাত জাগা যেন না হয় প্রতিদিন। অন্তত ৬–৭ ঘণ্টা ঘুম দরকার।
পুজোয় সুস্থ থেকে আনন্দ করুন। উৎসবে মাতুন সকলকে নিয়ে।