ভিজে জামা-কাপড় শুকনো করাই হোক কিংবা জুতো শুকিয়ে তাকে আবার ব্যবহারযোগ্য করা, বর্ষার দিনে সবচেয়ে বড় সমস্যাই হয়ে দাঁড়ায় এই বিষয়গুলোই। তবে কয়েকটা সহজ উপায়ে ঘরেই মেটানো সম্ভব সেইসব ঝামেলা।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 August 2025 10:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি চলছে। সকাল থেকে রাত, মুষলধারে বা মাঝারি বৃষ্টি যেন থামছেই না। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনও এই আবহাওয়া চলবে। সোমবার ভারী বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা। ফলে অফিস, পড়াশোনা বা প্রয়োজনীয় কাজ থেমে থাকার কোনও উপায় নেই। রোজই বাইরে বেরোতে হচ্ছে, আর সেই সঙ্গে ভিজে জামা-কাপড় আর জুতোর ঝক্কি সামলাতে হচ্ছে গৃহস্থদের।
ভিজে জামা-কাপড় শুকনো করাই হোক কিংবা জুতো শুকিয়ে তাকে আবার ব্যবহারযোগ্য করা, বর্ষার দিনে সবচেয়ে বড় সমস্যাই হয়ে দাঁড়ায় এই বিষয়গুলোই। তবে কয়েকটা সহজ উপায়ে ঘরেই মেটানো সম্ভব সেইসব ঝামেলা। কীভাবে?
ওয়াশিং মেশিনে কাচা জামা
আধুনিক ওয়াশিং মেশিনে এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্পিন ড্রাই সুবিধা থাকে, ফলে জামা কাপড় প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ শুকনো হয়েই বের হয়। এরপর ঘরের ভেতর দড়ি টাঙিয়ে বা জামাকাপড় শুকোনোর স্ট্যান্ডে হ্যাঙ্গার ব্যবহার করে মেলে দিলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। চাইলে ফ্যান চালিয়ে রাখতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যে ঘরে জামা শুকোচ্ছেন সেখানে কেউ যেন দীর্ঘক্ষণ না থাকে। কারণ সেক্ষেত্রে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা থাকে।
হাতে কাচা জামা
হাতে কাচলে জামা ভাল করে নিংড়ে প্রথমে বাথরুমে ঝুলিয়ে দিন, যাতে অতিরিক্ত জল ঝরে যায়। তারপর চাইলে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে জামা আধা শুকনো করে নিতে পারেন। বারান্দা থাকলে, আর যদি সেখানে বৃষ্টির জল ঢোকার সম্ভাবনা না থাকে, সেখানেও জামা-কাপড় শুকোনো যেতে পারে।
ভিজে জুতো শুকনো করার উপায়
রবারের জুতোর তেমন সমস্যা নেই, কিন্তু কাপড় বা চামড়ার জুতো বর্ষার দিনে ভিজে গেলে শুকনো করতে বেশ ঝক্কি পোহাতে হয়। বাড়ি ফিরে প্রথমেই জুতোর সোল খুলে নিয়ে পাখার নীচে রেখে দিন। জুতোর ভেতরে শুকনো খবরের কাগজ বা টিস্যু পেপার গুঁজে দিন। জল শুষে নেবে। কিছুক্ষণ পর কাগজ বা টিস্যু যাই রাখুন, তা ভিজে গেলে বদলে দিন। বারবার এভাবে করলে জুতো দ্রুত শুকিয়ে যাবে। চাইলে জুতোকেও খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে রাখতে পারেন।
বর্ষার ভেজা দিনে এই সহজ কৌশলগুলো কাজে লাগালে জামা-কাপড় কিংবা জুতো শুকনোর ঝক্কি অনেকটাই কমে যাবে। ফলে টানা বৃষ্টির মধ্যেও দৈনন্দিন কাজে বাড়তি অসুবিধা হবে না।