অনেকে প্রতিদিনের ঘুমকে সেইভাবে প্রাধান্য দিতেই চান না, কয়েক ঘণ্টার ঘুমেই সারাদিনের ক্লান্তি পুষিয়ে নিতে চান।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 16 October 2025 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনে কতক্ষণ ঘুমোনো উচিত (Daily sleep), সেই নিয়ে বিস্তর আলোচনা রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমরা অনেকেই ভাবি, রাতে একটু কম ঘুমোলে তেমন কোনও ক্ষতি হয় না, শুধু পরদিন একটু ক্লান্ত লাগে, এই যা! অনেকে আবার ঘুমকে সেইভাবে প্রাধান্য দিতেই চান না, কয়েক ঘণ্টার ঘুমেই সারাদিনের ক্লান্তি পুষিয়ে নিতে চান (sleep deprivation)।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, ঘুম শুধু শরীরকে তরতাজা করে তোলার কোনও মাধ্যম নয়, বরং এটি আমাদের স্মৃতি, শেখার ক্ষমতা, মনোযোগ, এবং মানসিক ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম স্তম্ভ (sleep benefits and importance)।
৩৩ বছরের অভিজ্ঞ নিউরোসার্জন প্রশান্ত কাটাকোল সম্প্রতি তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছেন, ঘুম কীভাবে মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং সহজ কিছু অভ্যাস বদলেই কীভাবে ঘুমের মান উন্নত করা যায়।
ঘুম কেন এত জরুরি?
ডাঃ প্রশান্ত বলছেন, “শরীরে অ্যালকোহলে প্রভাবে কী ঘটে? ঠিক তেমনই, কোনও ব্যাঘাত ছাড়াই একটানা ভাল ঘুম মস্তিষ্ক ও শরীরকে পুরোপুরি রিচার্জ করার মতো।” এখানে তিনি ঘুম বলতে রাতের ঘুমের কথাই বলতে চেয়েছেন।
তিনি আরও যোগ করেন, “যথেষ্ট ঘুম না হলে শরীর ও মস্তিষ্ক ঠিকভাবে পুনরুদ্ধার হয় না। ভাল মানের ঘুম মনোযোগ বাড়ায়, স্মৃতি তীক্ষ্ণ করে, মেজাজ স্থিতিশীল রাখে এবং মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি প্রতিরোধ করে। ভাল ঘুম পরের দিনকে আরও প্রাণবন্ত ও প্রোডাক্টিভ করে তোলে।”
ঘুমের অভাব কি অ্যালকোহলের চেয়েও খারাপ?
ডাঃ প্রশান্তের স্পষ্ট মন্তব্য, “অ্যালকোহল মস্তিষ্কের ক্ষতি করে ঠিকই, কিন্তু ঘুমের অভাব তার চেয়েও ভয়ানক।”
তিনি বলেন, “অপর্যাপ্ত ঘুম স্মৃতি, মনোযোগ এবং মানসিক স্থিতি নষ্ট করে, যা প্রতিদিনের জীবনে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা আমরা প্রায়ই টের পাই না।”
মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে ৩টি সহজ ঘুমের টিপসও দিলেন নিউরোসার্জন -
ডাঃ প্রশান্ত কাটাকোল জানিয়েছেন, ঘুমের মান বাড়াতে কঠিন কিছু করার প্রয়োজন নেই, শুধু কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললেই হবে -
তিনি আরও বলেন, “এই একটাই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্ককে এমনভাবে সুরক্ষা দেবে, যেটা কোনও সাপ্লিমেন্ট দিতে পারে না।