দিনের আলো কমতেই তারা অন্ধকার কোণ থেকে বেরিয়ে আসে আর একবার কামড় বসালেই শুরু হয় চুলকানি, লালচেভাব।

শেষ আপডেট: 9 June 2025 16:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গরমে হাঁসফাঁস করা দিনগুলোয় এক পশলা হালকা বৃষ্টি যেমন স্বস্তি নিয়ে আসে, তেমনি সঙ্গে নিয়ে আসে এক ভয়ংকর ছোট ছোট দানব- মশা। দিনের আলো কমতেই তারা অন্ধকার কোণ থেকে বেরিয়ে আসে আর একবার কামড় বসালেই শুরু হয় চুলকানি, লালচেভাব।
মশার কামড়ের পর চুলকাতে গিয়ে অনেকেই ছিঁড়ে ফেলেন ত্বক। সেখান থেকে আবার আরেক বিপত্তি।
মশারা সাধারণত জমা জলে, নর্দমায় ডিম বাড়ে। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে, শুধুমাত্র স্ত্রী মশারাই কামড়ায়, কারণ ডিম পাড়ার জন্য তাদের রক্ত দরকার হয়। পুরুষ মশা কেবল গাছের রস বা ফুলের নির্যাসেই সন্তুষ্ট।
মশা কামড়ালে চুলকানি হয় কেন?
যখন মশা কামড়ায়, তখন তার লালা (saliva) আমাদের শরীরে ঢুকে যায়। এতে শরীরে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন তৈরি হয় এবং হিস্টামিন নামক এক উপাদান নিঃসরণ হয়, যা চুলকানি ও লাল ফোলাভাব তৈরি করে। এই ক্ষেত্রে যত বেশি আপনি চুলকাবেন, তত বেশি চুলকানি বাড়বে এবং শেষ পর্যন্ত ত্বকে দাগ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়।
মশার কামড়ের পর চুলকানি থেকে রেহাই পাওয়ার চটজলদি কিছু উপায় রইল এখানে:
১) বরফ লাগান-
একটি বরফের টুকরো বা ঠান্ডা চামচ ৩০ সেকেন্ড ধরে কামড়ের জায়গায় চেপে ধরুন। এতে জায়গাটি অবশ হয়ে যাবে ও চুলকানি কমবে। প্রয়োজন হলে বারবার ব্যবহার করতে পারেন।
২) অ্যালোভেরা বা ল্যাক্টো ক্যালামাইন (Lacto Calamine)
অ্যালোভেরা জেল ত্বক ঠান্ডা করে এবং আরাম দেয়। কামড়ের জায়গায় অল্প অ্যালোভেরা লাগান এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আর একটি ঘরোয়া সমাধান হলো Lacto Calamine লোশন, এই গোলাপি বোতল বর্ষায় ত্বকের যত্নে অনেকেই ব্যবহার করেন। এটি ফোলাভাব শুকিয়ে আনে এবং আরাম এনে দেয়।
৩) বেকিং সোডা পেস্ট
এক চামচ বেকিং সোডায় কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সেটি কামড়ের জায়গায় লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। চুলকানি ম্যাজিকের মতো কমে যাবে।
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই সংক্রান্ত কোনও মতামত দ্য ওয়ালের নয়। দ্য ওয়াল স্বাস্থ্য / সাজগোজ সম্পর্কিত কোনও সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন।