Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

'নিঃশ্বাস বন্ধ, একগাদা হাড় ভাঙা...', ১৬ বছরের কিশোরীকে প্রাণে বাঁচাল কলকাতার হাসপাতাল

মনিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে-র চিকিৎসক দলের অসামান্য উদ্যোগে ১৬ বছর বয়সী একটি মেয়েকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

'নিঃশ্বাস বন্ধ, একগাদা হাড় ভাঙা...', ১৬ বছরের কিশোরীকে প্রাণে বাঁচাল কলকাতার হাসপাতাল

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 10 April 2025 18:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মনিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে-র চিকিৎসক দলের অসামান্য উদ্যোগে ১৬ বছর বয়সী একটি মেয়েকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত ১৯ মার্চ, মেয়েটি বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হলে তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় তার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, রক্তচাপ ছিল অনেকটাই নিচে এবং একাধিক হাড় ভেঙে গিয়েছিল।  

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দল, নেতৃত্বে ড. সুশ্রুতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্রুত অস্ত্রোপচার শুরু করেন। প্রথমে জরুরি ফিমার অস্ত্রোপচার করা হয়, পরে হিউমারাস হাড়ের অস্ত্রোপচার হয়। ৯ দিন ভেন্টিলেশন থাকার পর, মেয়েটিকে ধীরে ধীরে সুস্থ করে তোলা হয় এবং ৫ এপ্রিল তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।  

ড. সুশ্রুতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "অবস্থা খুবই খারাপ ছিল, কিন্তু প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখা এবং অ্যাসিডোসিস নিয়ন্ত্রণে আনা ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য।" মনিপাল হাসপাতাল ফাউন্ডেশন এই কঠিন পরিস্থিতিতে মেয়েটির চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে, যাতে তার পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা না পায়।  

মনিপাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, "আমরা বিশ্বাস করি, শুধুমাত্র আর্থিক অক্ষমতার কারণে কোনো জীবন শেষ হয়ে যাওয়া উচিত নয়।" আজ, মেয়েটি সুস্থ হয়ে উঠে নতুন জীবনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা পুরো চিকিৎসক দলকে প্রেরণা দেয়।


```