মাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত পোস্ট করেই লাখপতি হয়ে গেলেন ২১ বছরের এক তরুণ ইঞ্জিনিয়ার। টুইটার তথা এক্স-এর ক্রিয়েটর রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রামেই খুলে গেল নতুন আয়ের দিগন্ত।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 17 September 2025 20:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়স মাত্র ২১। পেশায় ইঞ্জিনিয়র। কিন্তু মূল আয়ের উৎস? টুইটার, অর্থাৎ এখনকার এক্স! নিয়মিত পোস্ট করেই বিপুল আয় করছেন কানভ নামের তরুণ। দাবি, দু’মাসের মধ্যেই তাঁর আয় ছাপিয়ে গিয়েছে কলেজ ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের গড় বেতনের হিসাবও।
জুলাই মাসে কানভ আয় করেছেন ৩৫ হাজার টাকারও বেশি। অগস্টে ৩২ হাজার টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ৫ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত এক্স থেকে তাঁর হাতে এসেছে ৬৭ হাজার ৪২০ টাকা। পেমেন্ট হয়েছে পাঁচ দফায়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ একবারেই তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ০৯৭ টাকা।
একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘পোস্টিং অন এক্স ইজ অলরেডি পেইং মি মোর দ্যান অ্যাভারেজ টিয়ার ৩ ক্যাম্পাস প্লেসমেন্ট, অ্যান্ড আই লিটারালি ওনলি স্টার্টেড ২ মান্থস এগো।’ অর্থাৎ, দুই মাস আগে শুরু করা কাজ এখনই টিয়ার ৩ কলেজ ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের গড় বেতনের থেকে বেশি রোজগার এনে দিচ্ছে তাঁকে।
কানভের শেয়ার করা পেমেন্ট ব্রেকআপ বলছে—
এর পাশাপাশি তিনি নিজের কলেজের প্লেসমেন্টের তথ্যও তুলে ধরেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানের গড় প্লেসমেন্ট প্যাকেজ বছরে ২.৯ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ১ লাখ। মোট ৭২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৪ জন পেয়েছিলেন বেতনের চাকরি। ১৩ জনকে করতে হয়েছিল আনপেড ইন্টার্নশিপ।
ফলে তুলনায় দেখা যাচ্ছে, এক্স-এ কনটেন্ট পোস্ট করেই কানভ যে রোজগার করছেন, তা অনেক ক্ষেত্রে এই প্লেসমেন্ট প্যাকেজের থেকে বেশি।
কীভাবে টাকা দেয় এক্স?
এক্স -এর ক্রিয়েটর রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা আয় করতে পারেন। এর জন্য প্রিমিয়াম বা ভেরিফায়েড অর্গানাইজেশন সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। গত তিন মাসে অন্তত ৫০ লাখ অর্গ্যানিক ইমপ্রেশন থাকতে হবে। ন্যূনতম ৫০০ ভেরিফায়েড ফলোয়ার থাকা আবশ্যক। দেশটিও এক্স-এর সমর্থিত তালিকায় থাকতে হবে এবং অ্যাকাউন্টকে মানতে হবে ইউজার এগ্রিমেন্ট।
আয়ের হিসাব করা হয় ভেরিফায়েড এনগেজমেন্ট দিয়ে। লাইক, রিপ্লাই, ভিডিও, লাইভ সেশন, এমনকি আর্টিকল, সব কিছুর মূল্য আলাদা। বিশেষত প্রিমিয়াম প্লাস ব্যবহারকারীর এনগেজমেন্টের দাম অন্যদের তুলনায় বেশি।