মনতোষ খেলেন স্ট্রাইকার পজিশনে। বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর গোল করার দক্ষতা, অফ দ্য বল মুভমেন্ট এবং ফিনিশিং নজর কেড়ে নিয়েছে।

ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন
শেষ আপডেট: 7 June 2025 17:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বাংলা ফুটবলের নিয়ামক সংস্থাকে (IFA) বলেছিলেন, পাঁচজন নয় কলকাতা ফুটবল লিগে ছয় জন ভূমিপুত্র খেলানো বাধ্যতামূলক করা হোক। আর তার পরই আইএফএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাঠে ছয় জন ভূমিপুত্র রাখতেই হবে। স্থানীয় ফুটবলার তুলে আনার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে অনেকেই মনে করেছেন।
কলকাতা ফুটবল লিগকে (CFL) একসময় মনে করা হত ভারতীয় ফুটবলের আঁতুড় ঘর। কিন্তু সেই গরিমা আজ হারিয়েছে। জাতীয় দলে এখন বাঙালি ফুটবলার খুঁজতে গেলে আতস কাচের দরকার হয়। প্রদীপের সলতের মতো একমাত্র জ্বলছিলেন শুভাশিস বোস। তিনিও চোটের জন্য ভারতীয় দলের বাইরে। এই অবস্থায় বাঙালি ফুটবলার তুলে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে কলকাতা ফুটবল লিগ ২০২৫০-এর ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। লটারির মাধ্যমে হয়ে গিয়েছে প্রিমিয়র ডিভিশনের গ্রুপ বিন্যাস। একই গ্রুপে রয়েছে দুই প্রধান মোহনবাগান (Mohunbagan) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। গঙ্গা পাড়ের ক্লাব সে অর্থে এখনও প্রস্তুতি শুরু না করলেও কোমর বেঁধে কিন্তু নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
গতবার সর্বভারতীয় ফুটবলে সফল না হলেও কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সেটি ছিল তাদের ৪০তম কলকাতা লিগ জয়। এবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই নামতে চলেছে মশাল বাহিনী। পাশাপাশি তারা কলকাতা লিগ থেকে ফুটবলার তুলে এনে সিনিয়র দলে খেলাতে চাইছে।
লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা লিগের জন্য তারা এবার দল গঠন করছে ঘরোয়া প্রতিভাদের উপর ভিত্তি করে। সেই কৌশলেরই প্রথম ধাপে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তিন বঙ্গ সন্তান মনতোষ মাজি, বিক্রম প্রধান ও সঞ্জয় ওরাওঁকে। এই তিনজনই ছিলেন ২০২৫ সন্তোষ ট্রফিজয়ী বাংলা দলের (Santosh Trophy Winner Bengal) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
মনতোষ খেলেন স্ট্রাইকার পজিশনে। বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তাঁর গোল করার দক্ষতা, অফ দ্য বল মুভমেন্ট এবং ফিনিশিং নজর কেড়ে নিয়েছে। লাল-হলুদ জার্সিতে ইতিমধ্যে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন মনতোষ। পাশাপাশি সন্তোষজয়ী দলের সদস্য বিক্রম প্রধান হলেন ডিফেন্ডার। বল কন্ট্রোল, ট্যাকলিং ও হেডিংয়ে সাবলীল তিনি। আর সঞ্জয় ওরাওঁ হলেন একজন মিডফিল্ডার। বল পজিশন ধরে রেখে খেলা গড়ার কাজে সিদ্ধহস্ত এই মিডিও।