ওদের দুটো গোল নিয়েই আমার সন্দেহ রয়েছে। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে কখনওই ফাউল ছিল না। আর দ্বিতীয় গোলের আগে নিশ্চিত হ্যান্ডবল ছিল।

অস্কার ব্রুজোঁ
শেষ আপডেট: 21 August 2025 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা ময়দানে একটি প্রবাদ রয়েছে, ডার্বি জিতলে, পরের ম্যাচ কিন্তু ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। পচা শামুকে প্রবল সম্ভাবনা পা কাটার। আর সেটাই হল বুধবার। ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) শেষ আটের লড়াইয়ে চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব। কিন্তু ডুরান্ড কাপে নবাগত ডায়মন্ড হারবার এফসির কাছে ১-২ গোলে হেরে ফাইনালে ওঠা আর হল না অস্কার ব্রুজোঁর (Oscar Bruzon) ছাত্রদের।
এবার দুরন্ত ছন্দে দেখাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলকে। সমর্থকরাও স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছিলেন। মনে হচ্ছিল, গত কয়েক মরশুমের ব্যর্থতা ভুলে এবার হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে মশাল ব্রিগেড। এরপর ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে যখন মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারালেন অস্কার ব্রুজোঁর ছাত্ররা, তখন মনে হচ্ছিল সুদিন এসেই গিয়েছে। দুর্গাপুজোর এক মাস আগেই উৎসবে মেতে উঠেছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। কিন্তু তিন দিনের মধ্যেই পালটে গেল পরিবেশ। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হঠাৎ করেই যেন নেমে এসেছে কালো মেঘ।
গত কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে, হারের পরই রেফারিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে থাকে ইস্টবেঙ্গল। এবারও তার ব্যতিক্রম দেখা গেল না। ডায়মন্ড হারবারের কাছে হেরে যাওয়ার পর যথারীতি রেফারিকে দুষতে শুরু করে দিয়েছেন লাল-হলুদ কর্তারা। এমনকি সেই সুরে সুর মিলিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল চাণক্য অস্কার ব্রুজোঁও (Oscar Bruzon)। রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদ্মা পাড়ের ক্লাবের শীর্ষকর্তা নীতু সরকার বলেছেন, ডায়মন্ডের দু’টি গোলই বাতিল হওয়া উচিত ছিল।
এদিকে ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের হেডস্যার ব্রুজোঁ বলেছেন, “প্রথমার্ধে সেভাবে খেলতে পারেনি ছেলেরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ম্যাচে ফিরেছিলাম। তবে ওদের দুটো গোল নিয়েই আমার সন্দেহ রয়েছে। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে কখনওই ফাউল ছিল না। আর দ্বিতীয় গোলের আগে নিশ্চিত হ্যান্ডবল ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের খারাপ রেফারিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। তবে ম্যাচে আমাদেরই প্রাধান্য ছিল। রশিদ-হামিদ থাকলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত।”