চলতি মরশুমে খিদিরপুর এফসি-মেসারার্সের ম্যাচে গড়াপেটা হয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছিল আইএফএ অফিসে।

ম্যাচ ফিক্সিং
শেষ আপডেট: 24 July 2025 12:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের কলঙ্কিত হল কলাকাতা ফুটবল লিগ (Kolkata Football League)। ম্যাচ গড়াপেটার (Match Fixing) অভিযোগ উঠল প্রিমিয়ার ডিভিশনের দুই ক্লাব খিদিরপুর ও মেসারার্সের বিরুদ্ধে (Khidirpur FC, Measures Club)। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছে বাংলা ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইএফএ (IFA)।
বুধবার আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে তিন ফুটবলার ও এক সহকারী কোচকে সাময়িক ভাবে নির্বাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চলতি মরশুমে খিদিরপুর এফসি-মেসারার্সের ম্যাচে গড়াপেটা হয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছিল আইএফএ অফিসে। অভিযোগের তির ছিল মেসারার্স ক্লাবের ফুটবলার মুসলিম মোল্লা ও সান্নিক মুর্মু, সহকারী কোচ রাজীব দে এবং খিদিরপুরের ফুটবলার অভীক গুহর বিরুদ্ধে। আইএফএ জানিয়েছে, পুলিশের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ফুটবলারদের নির্বাসন বহাল থাকবে। সেই সঙ্গে বাংলা ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা অভিযুক্ত দুই ক্লাবের কাছে অভিযোগের কারণ জানতে চেয়েছে।
আইএফএ যে গড়াপেটা বিরোধী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে, তাদের তরফেই এই চারজনের নামে অভিযোগ করা হয়েছিল। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, এই তিন ফুটবলারের বিরুদ্ধে এর আগেও একই অভিযোগ উঠেছিল, সে সময় তাঁরা দিল্লি লিগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আইএফএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেসারার্সের সহকারী কোচ রাজীব দের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে গড়াপেটার অভিযোগে নিষিদ্ধ এক ব্যক্তির। ওই নিষিদ্ধ ব্যক্তি মেসারার্সের অনুশীলন চলাকালীন রাজীবের সঙ্গে কথাও বলেছেন। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বলেছেন, “এজেন্সি এই চারজনের বিরুদ্ধে তাদের সন্দেহের কথা আমাদের জানিয়েছে। আমরা এই তদন্তের ভার কলকাতা পুলিশের হাতে দিয়েছি। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত চারজনকে সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি দুই ক্লাবকেই শো-কজ করা হয়েছে।”
তবে মেসারার্স ও খিদিরপুর দুই ক্লাবই জানিয়েছে আইএফএ-এর তরফে কোনও শো-কজ করা হয়নি। এখন দেখার গড়াপেটার বল এবার কতদূর গড়ায়।