Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রে

বাবা মোহনবাগানের কিংবদন্তি, তাও কেন ফুটবলের প্রতি আগ্রহ নেই সাহেবের?

১৯৭৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মোহনবাগানের হয়েই ফুটবল খেলেছেন সুব্রত ভট্টাচার্য।

বাবা মোহনবাগানের কিংবদন্তি, তাও কেন ফুটবলের প্রতি আগ্রহ নেই সাহেবের?

পিতা-পুত্র, সাহেব ভট্টাচার্য এবং সুব্রত ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: 29 December 2024 13:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বাংলা টেলিজগতে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হলেন সাহেব ভট্টাচার্য। আলাদা করে তাঁর কোনও পরিচয় দেওয়ার দরকার নেই। সম্প্রতি 'কথা' নামের একটি ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সাহেবের 'এভি' চরিত্রটি ইতিমধ্যে যথেষ্ট প্রশংসিতও হচ্ছে। কিন্তু, আপনারা কি জানেন, এই অভিনেতার আরও একটি পরিচয় রয়েছে? মোহনবাগানের বিখ্যাত ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্যের ছেলে তিনি। একটা সময় সুব্রত ভট্টাচার্যের নামে কাঁপত কলকাতা ময়দান। কিন্তু, তাঁর ছেলেরই ফুটবলের প্রতি তেমন আগ্রহ নেই। কারণটা অবশ্য সাহেব নিজেই জানিয়েছেন। কী বললেন তিনি, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবে আজও সুব্রত ভট্টাচার্যের জনপ্রিয়তা অনির্বচনীয়। তিনি ফুটবল সম্রাট পেলের সঙ্গে খেলেছেন। এমনকী, ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনার সঙ্গেও হাত মিলিয়েছেন। কিন্তু, ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি তেমন আগ্রহ নেই। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি ইন্টারভিউয়ে সাহেব ভট্টাচার্য বলেছেন, 'ছোটবেলা থেকেই মাঠে যাওয়া নিষেধ ছিল আমার। আটের দশকের শেষদিক এবং নয়ের দশকের প্রথমদিকে কলকাতা ময়দানের পরিবেশ খুব খারাপ হতে শুরু করেছিল। একটা সময় তো যথেষ্ট হিংস্র পরিবেশ হয়ে উঠেছিল।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'এই নিষেধের কারণেই সামনে থেকে খেলা দেখার যে উন্মাদনা, দর্শকের চিৎকার, কোনওটাই আমি অনুভব করতে পারিনি। প্রত্যক্ষভাবে সেই অভিজ্ঞতা আমার হয়নি। আর সেকারণেই বোধহয় ফুটবলের প্রতি সেই আকর্ষণটাই কোনওদিন তৈরি হয়নি। এমনকী, বাবা কোনওদিন হাত ধরেও বলেননি যে চলো ফুটবল খেলি।' ভিডিওটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হতে শুরু করেছে।

এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, ১৯৭৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মোহনবাগানের হয়েই ফুটবল খেলেছেন সুব্রত ভট্টাচার্য। খেলোয়াড় জীবনের কোনওদিন সবুজ-মেরুন ছাড়া অন্য় জার্সিতে তাঁকে দেখতে পাওয়া যায়নি। বাগান ডিফেন্সে অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ১৯৭৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর অধিনায়কত্বেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব নিউ ইয়র্কের কসমস ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। এই ক্লাবের হয়েই খেলেছিলেন দ্য গ্রেট পেলে। এছাড়া জাতীয় দলের হয়েও তিনি ৪১টি ম্য়াচ খেলেছেন।

তবে খেলোয়াড় হিসেবে অবসর গ্রহণের পর বেশ কয়েকটি ক্লাবকে কোচিং করিয়েছিলেন তিনি। সেই তালিকায় নাম ছিল ইস্টবেঙ্গলেরও। ২০০৭ সালে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু, ২০০৭-০৮ আই-লিগ মরশুমে খারাপ পারফরম্য়ান্সের কারণে নিজেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। গত বছর ২৯ জুলাই সুব্রত ভট্টাচার্যের একটি আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়েছিল। নাম ১৬ আনা বাবলু। এই বইয়ে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত অধ্যায় রয়েছে। সেগুলো নিয়ে না হয় আরেকদিন আলোচনা করা যাবে।


```