তথ্য বলছে, গড়ে ফি-বছর ১৫২ দিন বৃষ্টি হয় ম্যাঞ্চেস্টারে। শুনে মনে হবে—এটাই ব্রিটেনের বর্ষার রাজধানী। কিন্তু ২০১৭ সালের হিসেবমতে, ভেজা শহরের তালিকায় ম্যাঞ্চেস্টার ১৫ নম্বরে!

ম্যাঞ্চেস্টার সিটির নয়া জার্সি
শেষ আপডেট: 14 August 2025 19:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস’। লিখেছিলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। কাব্যিক ব্যঞ্জনায়। যদিও শহর ম্যাঞ্চেস্টারের জন্য এই অমোঘ পঙক্তি আক্ষরিক অর্থে সত্যি। আকাশে রোদ উঠবে কি না, তাই নিয়ে বাজি ধরা যায়। ম্যাঞ্চেস্টারের হাওয়া অফিসের খবর শোনার দরকার নেই—ছাতা যেন সব সময় সঙ্গে থাকে। তাহলে নিরাপদ। শহরটার ডাকনামই যে ‘রেনি সিটি’!
এবার সেই বৃষ্টির ব্র্যান্ডিং কাজে লাগিয়ে নতুন জার্সি (3rd Jersey) (তিন নম্বর) বাজারে আনল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি (Manchester City)। সিংহভাগ অংশ ধূসর, ধার বরাবর সবুজ। আর জার্সির বুক, হাতা বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে বৃষ্টির ফোঁটা। টুপটাপ। একঝলক দেখে মনে হবে—ধূসর মেঘের কাপড় কেটে বানানো… তার উপর বৃষ্টিভেজা সকালে বাসের জানালায় জমে থাকা জলের ফোঁটার নকশা। গলা, কাঁধ আর দু’পাশে ঝলমলে নিয়ন-সবুজ—বর্ষণের আগে বিদ্যুতের ঝলক।
এমন অপূর্ব জার্সিটি বানিয়েছে পুমা (PUMA)। দামটা শুনে অবশ্য বিদ্যুতের ঝিলিকে চোখ ধাঁধিয়ে যেতে পারে! বাচ্চাদের জার্সি কিনতে খসাতে হবে প্রায় ৭ হাজার টাকা। আর পেছনে নাম-নম্বর-সহ আসল জার্সি কিনতে চাইলে খরচ ১৬ হাজার ২০০ টাকা। নয়া জার্সি নিয়ে ক্লাবের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে—‘এটা তাদের জন্য, যারা বৃষ্টি-রোদ যা-ই হোক, হৃদয়ে সিটিকে বয়ে বেড়ায়!’
তথ্য বলছে, গড়ে ফি-বছর ১৫২ দিন বৃষ্টি হয় ম্যাঞ্চেস্টারে। শুনে মনে হবে—এটাই ব্রিটেনের বর্ষার রাজধানী। কিন্তু ২০১৭ সালের হিসেবমতে, ভেজা শহরের তালিকায় ম্যাঞ্চেস্টার ১৫ নম্বরে! তবে মাঠে নামলেই সিটি আবহাওয়া বদলে দেয়—রোদ না থাকলেও গ্যালারির মেজাজ ঝলমলে।
আগের সিজনে অনুরাগীদের চোখে বিস্তর জল ঝরেছে। একটিও ট্রফি হাতে তোলেনি পেপ গোয়ার্দিওলার টিম। এবার জার্সি বর্ষণস্নাত। এবার কি ছবিটা পাল্টাবে? আবার রোদঝলমলে হয়ে উঠবে এতিহাদ স্টেডিয়াম? জবাবটা মিলতে শুরু করবে আগামী সপ্তাহ থেকে।