৯১ ম্যাচে নির্ধারিত হবে টুর্নামেন্টের ভাগ্য। খরচ-সাশ্রয়ী মডেল মেনে চলার পরামর্শ ছিল। তবু বড় স্টেডিয়ামে ফেরার সিদ্ধান্ত ইস্টবেঙ্গলের জন্য কৌশলগত—সমর্থক টান, ম্যাচডে-র জৌলুস এবং ব্র্যান্ড ভ্যালু—সব দিকেই লাভের হিসাব।
.jpeg.webp)
ইস্টবেঙ্গল
শেষ আপডেট: 11 February 2026 12:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনিশ্চয়তার মেঘ কাটতে চলেছে। ২০২৫-২৬ মরশুমের আইএসএল (Indian Super League) টিভিতে সম্প্রচার করবে সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক (Sony Sports Network)—যদিও এখনও চুক্তিপত্রে সই করা বাকি। একই সঙ্গে ঘরের মাঠ নিয়ে জট কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফিরছে সল্টলেক স্টেডিয়ামে। ১৪ ফেব্রুয়ারি মরশুম শুরু, প্রথম ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) মুখোমুখি কেরল ব্লাস্টার্সের (Kerala Blasters)।
সম্প্রচার জট কাটছে: ফ্যানকোড–সোনি সমঝোতা
আইএসএলের মিডিয়া স্বত্ব পেয়েছে ফ্যানকোড (FanCode), ড্রিম স্পোর্টসের (Dream Sports) মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম। প্রি-বিড কনফারেন্সে যোগ দিয়েও সোনি সরাসরি বিড জমা দেয়নি; পরে ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকায় স্বত্ব নেয় ফ্যানকোড। যেহেতু তাদের নিজস্ব টিভি চ্যানেল নেই, তাই সম্প্রচারের জন্য একাধিক সংস্থার সঙ্গে কথা বলে। শেষমেশ সোনির সঙ্গে মৌখিক সমঝোতা পাকা। কাগজপত্রে সই বাকি, তবে সূত্রের দাবি—এটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
ফ্যানকোড ইতিমধ্যে তিন ধরনের পাস ঘোষণা করেছে—সিজন পাস ২৯৯ টাকা, টিম পাস ১৪৯ টাকা, ম্যাচ পাস ২৫ টাকা। লিগ চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মে। প্রতিটি দল একবার করে মুখোমুখি, মোট ম্যাচ ৯১টি।
ইস্টবেঙ্গলের ঘরবদল: মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমাধান
প্রতি ম্যাচডে-তে সল্টলেকের খরচ আনুমানিক ২৫ লক্ষ টাকা—নিরাপত্তা, আলো, লজিস্টিক মিলিয়ে। তাই খরচ বাঁচাতে প্রথমে কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন (Kishore Bharati Krirangan) বেছে নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এহেন সিদ্ধান্তে সমর্থকদের একাংশের তীব্র আপত্তি ওঠে। আলোচনার পর ক্লাব জানায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তায় সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে (Vivekananda Yuva Bharati Krirangan) গাঁটের কড়ি খরচ না করেই হোম ম্যাচ খেলতে পারবে তারা।
১৬ ফেব্রুয়ারি ঘরের মাঠে প্রথম খেলা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের (NorthEast United) বিরুদ্ধে। কলকাতা ডার্বিও হবে সল্টলেকেই। প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান অবশ্য শুরু থেকে এই স্টেডিয়ামকেই হোম ভেন্যু রেখেছে।
এবার ৯১ ম্যাচে নির্ধারিত হবে টুর্নামেন্টের ভাগ্য। খরচ-সাশ্রয়ী মডেল মেনে চলার পরামর্শ ছিল। তবু বড় স্টেডিয়ামে ফেরার সিদ্ধান্ত ইস্টবেঙ্গলের জন্য কৌশলগত—সমর্থক টান, ম্যাচডে-র জৌলুস এবং ব্র্যান্ড ভ্যালু—সব দিকেই লাভের হিসাব।