আমি জানি এটা ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট। ইস্টবেঙ্গল ২৯ বার আইএফএ শিল্ডে জিতেছে। আমরা পুরো দল নিয়েই আইএফএ শিল্ডে খেলব।

আইএফএ শিল্ডের সাংবাদিক বৈঠক
শেষ আপডেট: 7 October 2025 18:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ১২৫তম আইএফএ শিল্ড (IFA Shield)। গত তিন বছর অনুষ্ঠিত হয়নি এই শতাব্দী প্রাচীন প্রতিযোগিতা। কলকাতার তিনটি দল- মোহনবাগান (Mohunbagan), ইস্টবেঙ্গল ও ইউনাইটেড এফসি-সহ (East Bengla) ছটি দল এবারেরর প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশ হয়েছিল আগেই। ছটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছেন। দুই গ্রুপের শীর্ষে থাকা দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে। গ্রুপ বিন্যাস অনুযায়ী, ফাইনালের আগে দেখা হবে না কলকাতার দুই প্রধানের।
প্রতিযোগিতা শুরুর আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলার ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার সচিব অনির্বাণ দত্ত (Anirban Dutta) বলেছেন, “এআইএফএফকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তারা ব্যস্ত সূচির মধ্যেও আইএফএ শিল্ডকে জায়গা করে দিয়েছে। এই বছরে ৬টি দল অংশগ্রহণ করছে আইএফএ শিল্ডে। ফাইনাল ছাড়া সব ম্যাচই সমর্থকরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। মোহনবাগান জানিয়েছে, তাদের প্র্যাকটিস আছে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে আসতে পারেনি। আমরা চেষ্টা করব পরের বার থেকে যাতে আইএফএ শিল্ডকে আরও ভাল ভাবে করা যায়। আইএফএ শিল্ডে ৬ জন বিদেশিকে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে এবং ৪ জনকে মাঠে একসঙ্গে রাখা যাবে। প্রত্যেক ম্যাচের সেরা ফুটবলার ১০,০০০ টাকা করে পাবেন। আর চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ লক্ষ টাকা।”
সাংবাদিক সম্মলনে উপস্থিত হয়ে ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বিনো জর্জ বলেন, “আমি জানি এটা ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট। ইস্টবেঙ্গল ২৯ বার আইএফএ শিল্ডে জিতেছে। আমরা পুরো দল নিয়েই আইএফএ শিল্ডে খেলব। ডুরান্ড কাপের পর খুব ভাল ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। আইএফএ শিল্ডের জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।”
পাশাপাশি বিনো বলেছেন, “আইএফএ শিল্ডে বুঝে যাব আমদের দল কতটা তৈরি সুপার কাপের জন্য। ইস্টবেঙ্গল প্রত্যেকটি টুর্নামেন্টকেই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দল কোনও ইনজুরি নেই। আমি আশা করছি আইএফএ শিল্ডের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে সব বিদেশিরা থাকবে।”
এবারই লাল-হলুদ জার্সিতে অভিষেক হয়েছে প্যালেস্তাইনের রশিদের। তিনি এদিন বললেন, “ডুরান্ডে আমরা ডায়মন্ড হারবারের কাছে হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেই হার এখন অতীত। দল নিয়ে আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী। আইএফএ শিল্ডে ভাল ফলাফল করব। আমি সমর্থকদের বলব, মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করুন। এখানকার মানুষ ফুটবল বলতে পাগল। কলকাতা লিগের মতো ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট আমি দেখেছি। সেই থেকেই বুঝেছি কলকাতায় ফুটবল খুবই জনপ্রিয়।”