ওরা আজকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলেনি, সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে খেলেছে। যেদিন নামবে সেদিন বুঝতে পারবে মোহনবাগান কাকে বলে।

দেবব্রত সরকার ও দেবাশিস দত্ত
শেষ আপডেট: 18 August 2025 13:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বহুদিন পর সর্বভারতীয় মঞ্চে মোহনবাগানকে হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal vs Mohunbagan)। রবিবাসরীয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণ দখল করে নিয়েছিল লাল-হলুদ জনতা। ম্যাচ শেষে মুহুর্মুহু শব্দব্রহ্ম ‘জয় ইস্টবেঙ্গল’। ম্যাচ শুরুর আগে মোহন জনতার দেওয়া স্লোগান ‘যত বার ডার্বি, ততবারই হারবি’-র পাল্টা দিতে শুরু করে রবিবার যুবভারতীর দখল নিয়েছিল মশাল ব্রিগেড।
এই হার মেনে নিতে পারছেন না সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। মাত্র কয়েকদিন আগেই কলকাতা লিগে মেরিনার্সকে হারতে হয়েছিল লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবের কাছে। সেই হার তবুও মেনে নেওয়া গিয়েছিল। কারণ ওটা বলতে গেলে ছিল জুনিয়র ডার্বি। কিন্তু রবিবার হারতে হয়েছে সর্বভারতীয় টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপে (Durand Cup)। শুধু হারের লজ্জাই নয়, গত কাল শেষ হয়ে গিয়েছে ডুরান্ড কাপের অভিযানও।
এদিকে, মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত এই হারকে মোহনবাগানের পরাজয় বলতে নারাজ। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, “ওরা আজকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলেনি, সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে খেলেছে। যেদিন নামবে সেদিন বুঝতে পারবে মোহনবাগান কাকে বলে। দলের খেলোয়াড়রা সবে এসেছে। কেউ কেউ দুইদিনও অনুশীলনে নামতে পারেনি। খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়ারও অভাব ছিল। সেই সঙ্গে আমাদের ভাগ্যও সুপ্রসন্ন ছিল না। লিস্টনের শটটা বারে না লেগে গোল হলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারত।”
দেবাশিস সেই সঙ্গে বলেন, “আমাদের দলের ফিটনেস যে অবস্থায় ছিল, তাতে ম্যাচ জিতলে সেটাই অঘটন হতো। যারা জিতেছে, তাদের অবশ্যই শুভেচ্ছা জানাই। তবে ওরা সুপার জায়েন্টকে হারিয়েছে। যেদিন আমাদের বিরুদ্ধে নামবে, সেদিন বুঝিয়ে দেব।”
দেবাশিসের বক্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ-কর্তা দেবব্রত (নীতু) সরকারও (Debabrata Sarkar)। তিনি বলেন, “গত একশো বছর ধরে দুই ক্লাবের রেকর্ড বলছে, দল কখনও খেলতে পারে, কখনও পারে না। প্রতিপক্ষের সাফল্য নিয়ে বিদ্রুপ করা উচিত নয়। আমাদের দল ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এটাই হয়তো ছিল প্রথম পদক্ষেপ।”