অনেকেই একে ২০০৫ সালে ইডেন গার্ডেনসে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার গ্রেগ চ্যাপেলের কুখ্যাত ঘটনার সঙ্গে তুলনা করছেন।

ঘটনাটি মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়
শেষ আপডেট: 18 August 2025 00:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডুরান্ড কাপের উত্তেজনায় মেতেছে কলকাতা। স্মরণীয় এক ডার্বি শেষের রাতে ফের উসকে উঠল নতুন বিতর্ক। রবিবার (১৭ আগস্ট) যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-২ হেরে মাঠ ছাড়ার সময় মোহনবাগানের অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসন কামিন্স সমর্থকদের উদ্দেশে মধ্যমা (মিডল ফিঙ্গার) দেখান।
ঘটনাটি মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই একে ২০০৫ সালে ইডেন গার্ডেনসে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার গ্রেগ চ্যাপেলের কুখ্যাত ঘটনার সঙ্গে তুলনা করছেন।
ম্যাচ শেষে দলীয় বাসে ওঠার সময় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা “জয় ইস্টবেঙ্গল” স্লোগান তুলতেই কামিন্স আপত্তিকর ভঙ্গি দেখান বলে অভিযোগ। ফলে সমর্থকদের ক্ষোভ তীব্র আকার নেয়।
খেলার শুরু থেকেই দু’দলের লড়াই ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। হ্যামিদ আহাদাদের চোটের পর ১৮ মিনিটে নামা দিমিত্রিওস দিয়ামান্টাকোস ইস্টবেঙ্গলের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেন। তিনি ৩৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ৫২ মিনিটে দ্বিতীয়বার জালে বল জড়িয়ে ২-০ লিড এনে দেন। তবে ৬৭ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার দুরন্ত কার্লিং শটে ব্যবধান কমায় মোহনবাগান (১-২)।
পেনাল্টি সিদ্ধান্ত নিয়ে মোহনবাগান সমর্থকরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো অবশ্য দলের সংযম বজায় রাখাকে কৃতিত্ব দেন। অপরদিকে, জোসে মোলিনার নেতৃত্বাধীন মোহনবাগানকে ভুগতে হয় একের পর এক চোটের সমস্যায়।
এই জয়ে ইস্টবেঙ্গল প্রবেশ করল সেমিফাইনালে। সেখানেই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে নবাগত ডায়মন্ড হারবার এফসি, যারা কোয়ার্টারে আইএসএল দল জামশেদপুরকে ২-০ গোলে হারিয়ে সাড়া ফেলেছে। ১৬ বারের দুরান্দ কাপ চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলের কাছে এই জয় শুধু সেমিফাইনালে ওঠা নয়, বরং মোহনবাগানের বিরুদ্ধে টানা চার ডার্বি হারের জাল ভাঙা।