খুব সহজে আর চটজলদি বানাতে পারবেন। অতিথিদের স্বাস্থ্যেও সমস্যা হবে না। কারণ
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 12 October 2025 19:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজয়া দশমীতে আগেকার দিনে বাড়িতে মিষ্টি বানিয়ে বিলি করার বা প্রিয়জনদের খাওয়ানোর রীতি ছিল। উত্তর কলকাতার কিছু বাড়িতে আজও বাঙালিয়ানা বজায় রেখে সেই নিয়ম পালন করা হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 'বিজয়া' সারতে যাওয়া ব্যাপারটা উঠে গেছে। ব্যস্ততার জীবনে এসবের সময় নেই বললেই চলে। তাও যাঁরা বিজয়ার মিষ্টি বাড়িতেই বানাতে চান বা দীপাবলিতে প্রিয়জনদের মিষ্টিমুখ করাতে হাতে বানানো ডেসার্ট চাইছেন, তাঁদের জন্য রইল এই রেসিপি।
খুব সহজে আর চটজলদি বানাতে পারবেন। অতিথিদের স্বাস্থ্যেও সমস্যা হবে না। কারণ পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, ১০০ গ্রাম সাবুদানায় প্রায় ৩৩২ ক্যালোরি, ১ গ্রাম প্রোটিন, ১ গ্রাম ফ্যাট, ৮৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট আর অল্প ফাইবার থাকে। এতে আছে জিঙ্ক, যা শরীরের দৈনিক চাহিদার প্রায় ১১ শতাংশ পূরণ করতে পারে। গ্লুটেন-মুক্ত হওয়ায় যাদের গ্লুটেন অ্যালার্জি আছে, তাদের জন্যও এটি নিরাপদ। শিশুদের শারীরিক বিকাশেও সাবুদানার বড় ভূমিকা রয়েছে।
আজ রইল সাবুদানার ক্ষীরের রেসিপি। উত্তর ভারতে বেশ জনপ্রিয়। দক্ষিণের কিছু অংশেও।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
সহজ রান্নার পদ্ধতি
১. সাবুদানা ভাল করে ধুয়ে আধা কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন
২. একটি পাত্রে ঘি গরম করে কাজু ও কিশমিশ ভেজে তুলে রাখুন
৩. একই পাত্রে দুধ ঢেলে ফুটিয়ে নিন
৪. দুধ ফুটলে তাতে ভেজানো সাবুদানা দিন এবং নেড়ে নেড়ে রান্না করুন যাতে দলা না হয়
৫. সাবুদানা নরম ও স্বচ্ছ হলে চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও এক চিমটি লবণ যোগ করুন
৬. ঘন হয়ে এলে ভাজা কাজু-কিশমিশ আর কেশর দিয়ে নামিয়ে নিন।
গরম বা ঠান্ডা, দুইভাবেই পরিবেশন করা যায় সাবুদানার ক্ষীর। ঠান্ডা করে খেলে সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে।
আসল সাবুদানা চিনবেন কীভাবে?
একটু জলভর্তি বাটিতে সাবুদানা দিয়ে দেখুন, যদি জল স্বচ্ছ থাকে, তবে আসল। যদি দুধের মতো সাদা হয়ে যায়, তবে তা নকল। রান্নার পর আসল সাবুদানা স্বচ্ছ ও নরম হবে।