ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখতে রাত ৮টার পর ইন্ডাস্ট্রির জন্য বচ্চন বাড়িতে নো এন্ট্রি ছিল অমিতাভ বচ্চনের নিয়ম।
.jpeg.webp)
অমিতাভ বচ্চন
শেষ আপডেট: 22 January 2026 14:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ কাজ নয়। আমজনতার মতোই এই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় বিনোদন জগতের তারকাদেরও। তবে এই দুই জগতকে নিখুঁত শৃঙ্খলায় সামলানোর ক্ষেত্রে বলিউডে এক অনন্য উদাহরণ অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)।
সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শোয়ে সেই অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেছেন তাঁর সহ-অভিনেতা রাজা বুন্দেলা। শুটিং ফ্লোরের জীবন আর পারিবারিক পরিসরের মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য রাখতেন অমিতাভ, সে কথা বলতে গিয়ে রাজা জানান—বচ্চনসাব কখনও গসিপ বা অপ্রয়োজনীয় আড্ডার অংশ হতেন না। সময়মতো কাজ শেষ করেই তিনি বাড়ি ফিরে যেতেন এবং বাড়িতে পৌঁছে পুরো সময়টা পরিবারের সঙ্গে কাটানোই ছিল তাঁর অগ্রাধিকার। এমনকী, ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে শোনা যেত, রাত আটটার পর তাঁর বাড়িতে কারও প্রবেশাধিকার থাকত না, ঠিক সেই সময়েই নাকি বন্ধ হয়ে যেত তাঁর বাড়ির দরজা। এভাবেই পরিবার, সংসার আর অভিনয়জীবনের মধ্যে এক নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রাখতেন তিনি।
একইসঙ্গে অভিনয়ের প্রতি অমিতাভ বচ্চনের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের কথাও উঠে আসে রাজা বুন্দেলার স্মৃতিচারণে। একটি শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, একবার শুটিংয়ে যাওয়ার সময় অমিতাভ জি ভুলবশত নিজের জুতো মুম্বইতেই ফেলে এসেছিলেন। ধারাবাহিকতা নিয়ে তিনি বরাবরই অত্যন্ত সচেতন ছিলেন, কিন্তু সেই দিন তাঁর স্পট বয় জুতো আনতে ভুলে যান। লোকেশনে পৌঁছে বিষয়টি ধরা পড়তেই ইউনিটের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, পরের দিন শুটিং হবে না। সেই আশায় কেউ কেউ উদ্যাপনেও মেতে ওঠেন।
কিন্তু পরের দিন সকালে সবাইকে চমকে দেন অমিতাভ বচ্চন। সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যেই তিনি সেই একই জুতো পরে সম্পূর্ণ লুকে তৈরি হয়ে যান। পরে জানা যায়, আগের রাতেই তিনি নিজের স্পট বয়কে মুম্বই পাঠিয়েছিলেন এবং ভোরের প্রথম বিমানে জুতোটি শুটিং লোকেশনে আনানো হয়। সময়মতো তৈরি হয়ে তিনি পরিচালক টিনু আনন্দকে সোজাসুজি বলেন, শুটিং শুরু করার কথা।