রোড এন্টারটেনমেন্ট এবং ফিল্ম্স অ্যান্ড ফ্রেম্সের যৌথ প্রযোজনায় আসছে এক গা ছমছমে রহস্যে মোড়া থ্রিলার— প্রফেসর সেনগুপ্ত। পরিচালনায় রয়েছেন রাজদীপ ঘোষ। চিত্রগ্রহণে শুভজিত রায়, সম্পাদনায় কৌস্তব সরকার, সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে সৌরভ চক্রবর্তী এবং গণমাধ্যম প্রচারে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুর।

প্রফেসর সেনগুপ্ত।
শেষ আপডেট: 28 June 2025 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোড এন্টারটেনমেন্ট এবং ফিল্ম্স অ্যান্ড ফ্রেম্সের যৌথ প্রযোজনায় আসছে এক গা ছমছমে রহস্যে মোড়া থ্রিলার— প্রফেসর সেনগুপ্ত। পরিচালনায় রয়েছেন রাজদীপ ঘোষ। চিত্রগ্রহণে শুভজিত রায়, সম্পাদনায় কৌস্তব সরকার, সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে সৌরভ চক্রবর্তী এবং গণমাধ্যম প্রচারে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুর।
অভিনয়ে রয়েছেন জয় সেনগুপ্ত, দিপান্বীতা রক্ষিত, জয়জিৎ ব্যানার্জি, অনুজা রায় ও জিৎসুন্দর চক্রবর্তী। বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য, ছোট পর্দার পরিচিত মুখ দিপান্বীতা রক্ষিতের এটাই প্রথম ওয়েব সিরিজ। প্রথম কাজেই তিনি এমন একটি জটিল, মানসিক দোলাচলে ভরা প্রজেক্টে কাজ করে নজর কাড়তে চলেছেন।
গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন ডঃ অনির্বাণ সেনগুপ্ত — একজন সাইকোলজি প্রফেসর, যিনি পাহাড়ের কোলে একটি নির্জন, ছিমছাম বাড়িতে একা থাকেন। তাঁর একমাত্র সঙ্গিনী মাঝে মাঝে আসা ছোট্ট মেয়ে তিন্নি, যাকে তিনি ভালোবেসে পুতুল বানিয়ে দেন, চকলেট উপহার দেন, আর নিজের মতো করে সময় কাটান। তাদের এই নিস্তরঙ্গ জীবনে একদিন হঠাৎ আগমন ঘটে অফিসার ইন চার্জ রজতের, যখন জঙ্গলের পাশে একটি ডেড বডি উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলেই মনে হলেও, পোস্টমর্টেমে উঠে আসে এক ভয়ানক সত্য — এটি খুন।
আর খুন হওয়া ছেলেটি? অনির্বাণের প্রাক্তন ছাত্র এবং ঘনিষ্ঠ পরিচিত। রজতের তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে একের পর এক চমকে দেওয়া তথ্য। তিন্নির কাছ থেকে সে জানতে পারে, অনির্বাণের রেফ্রিজারেটরে সে একটি কাটা কান দেখেছে। অনির্বাণ নাকি সিলিকনের তৈরি হিউম্যান বডি পার্টস এনে তিন্নির জন্য পুতুল তৈরি করছিলেন। সন্দেহ দানা বাঁধে রজতের মনে। তিন্নির আনা সেই পুতুল থেকে রজত একটি কান খুলে ফরেন্সিকে পাঠায়। কারণ কিছুদিন আগে পুলিশ একটি তরুণীর বিকৃত মৃতদেহ পেয়েছিল, যার কান, ঠোঁট এবং আঙুল নিপুণভাবে কাটা ছিল।
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ দিপান্বীতা রক্ষিতের এটাই প্রথম ওয়েব সিরিজ
রজত এরপর সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে পৌঁছয় অনির্বাণের বাড়িতে। তাঁর মনে দৃঢ় বিশ্বাস— কিছু একটা লুকোচ্ছেন অনির্বাণ। একজন মানুষ কেন বাচ্চার জন্য পুতুল বানাতে হিউম্যান বডি পার্টস ব্যবহার করবেন? এর পেছনে কি কোনও বিকৃত মানসিকতা কাজ করছে?
এই কাহিনিতে উঠে আসে এক অদ্ভুত ভালবাসা, বিকৃত যৌন আকর্ষণ, মানসিক ব্যাধি, আর অতীতের অন্ধকারে ঢাকা কোনো অপরাধপ্রবণতার ছায়া। কে এই অনির্বাণ সেনগুপ্ত? নিঃসঙ্গতা ও স্নেহের আবরণে ঢাকা এক নিস্পাপ মানুষ? না কি একজন ঠান্ডা মাথার অপরাধী?
জয় সেনগুপ্ত
জুলাই মাসেই ক্লিক OTT-তে মুক্তি পাচ্ছে প্রফেসর সেনগুপ্ত — এক থ্রিলার যা শুধু গল্প বলবে না, আপনাকে ধাক্কা দেবে, ভাবাবে, আর এক নিঃশব্দ আতঙ্কে মোড়া অন্ধকার ঘরে টেনে নিয়ে যাবে। অদ্ভুত সুন্দর, ভয়ানক, এবং বাস্তবতার সীমায় দাঁড়ানো এক গল্প, যা থেকে চোখ ফেরানো অসম্ভব।