Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

“চৌধুরীজি ক্যায়সে হো?” আর কোনওদিন আমাকে কেউ বলবে না: টোটা

ভাল মানুষ বলতে আসলে আমরা যাঁদের কল্পনা করি, ধরমজি ছিলেন তার প্রতিরূপ।

“চৌধুরীজি ক্যায়সে হো?” আর কোনওদিন আমাকে কেউ বলবে না: টোটা

টোটা-ধর্মেন্দ্র

শুভঙ্কর চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: 24 November 2025 14:50

টোটা রায়চোধুরী

ভাল মানুষ বলতে আসলে আমরা যাঁদের কল্পনা করি, ধরমজি (Dharmendra) ছিলেন তার প্রতিরূপ। মুম্বইয়ের আড্ডায় বহুবার শুনেছি— ‘দেওল’রা নাকি বড়মাপের মানুষজন। কিন্তু ধর্মেন্দ্রজিকে কাছ থেকে দেখার পর বুঝেছি, এই কথাটা শুধু প্রশংসা নয়, সত্যিকারের অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেওয়া সত্যি।

ওঁর সামনে দাঁড়ালে আমার মধ্যে অদ্ভুত এক ইতিবাচক শক্তি কাজ করত। সরলতা, অকৃত্রিমতা, উদারতা— ওঁর মধ্যে কোনওটাই আলাদা করে খুঁজে নিতে হত না। সবটাই যেন সহজ। আমার পদবী ধরে আমাকে ডাকতেন— “চৌধুরীজি ক্যায়সে হ্যাঁ আপ?” এই ডাকে যেন একটা আশীর্বাদের সুর থাকত। অজান্তেই আমি ঝুঁকে যেতাম সম্মানে। কিছু মানুষকে দেখলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে ইচ্ছে করে— ধরমজি সেই বিরল মানুষদের একজন ছিলেন।

‘রকি অউর রানি’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরও একবার বুঝেছি, পেশাদারিত্ব শব্দটার প্রকৃত সংজ্ঞা। বয়স ৮৯। অথচ শরীরে ক্লান্তি নেই, বিরক্তি নেই, ‘জলদি চলে যাই’ মনোভাব নেই। শুটিংয়ের ফাঁকে কোনও বিলাসবহুল চেয়ার নয়— একটা প্লাস্টিকের হাতলওয়ালা চেয়ারে বসে থাকতেন। মোবাইল দেখতেন না। পাশে থাকতেন ওঁর আপ্তসহায়ক। 

 

ওঁর স্মরণশক্তির কথা ভাবলে আজও আমি বিস্মিত হই। বয়স সাধারণত সবকিছু কমিয়ে দেয়— কিন্তু তাঁর মুখস্থ সংলাপ, কোন লাইনে কেমনভাবে বলতে হবে, কোথায় দাঁড়াতে হবে, নিখুঁত সেন্স অফ টাইমিং— সবই ছিল পারফেক্ট। আমি সাধারণত বয়োজ্যেষ্ঠ, বড়মাপের মানুষের থেকে একটু দূরে দূরেই থাকি। অথচ ধরমজি আমাকে ডেকে পাশে টেনে নিয়েছিলেন। এত আপন করে নিয়েছিলেন...

ছয়-সাতের দশকের কোনও অভিনেতার প্রসঙ্গ উঠলে ধরমজি বাদ পড়বেন— এটা কল্পনাতেই আসে না। টলিউডে শুনেছি, বলিউডেও শুনেছি— একটিও মানুষ নেই যিনি ওঁর সম্পর্কে কটু কথা বলেছেন। এটা অত্যন্ত বিরল। এমন একটি পৃথিবীতে, যেখানে

ভাল মানুষের সংখ্যা ক্রমে ক্রমে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, সেখানে ধরমজিও চলে গেলেন। আজ যখন তাঁর চলে যাওয়ার খবর পেলাম, আচমকাই মনে পড়ে যাচ্ছিল সেই হাসিমাখা সরল মুখটা। সেই ডাক— “চৌধুরীজি ক্যায়সে হো?” আর কোনওদিন আমাকে কেউ বলবে না।


```