ক্রিকেট মাঠের তারকা সূর্যকুমার যাদব আর সুরের সম্রাজ্ঞী শ্রেয়া ঘোষাল—দু’জনের অজানা কানেকশন জানেন?

ছবি: দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 14 March 2026 18:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একজনের ব্যাটের ঝলকে মাঠে ওঠে উচ্ছ্বাসের ঢেউ, আর অন্যজনের কণ্ঠস্বর কোটি কোটি মানুষের মন কাড়ে। দু’জনেই নিজ নিজ জগতে সুপারস্টার, একজন ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav), অন্যজন সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল (Shreya Ghoshal)। তাঁদের মধ্যে কোনও পারিবারিক সম্পর্ক না থাকলেও রয়েছে এক অদ্ভুত ও অজানা যোগসূত্র, যা অনেকের কাছেই অচেনা।
এই ঘটনার সূত্রপাত কয়েক বছর আগে। তখনও সূর্যকুমার যাদব জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেননি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তিনি মাত্র ৩১ বলে ৫৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে নজর কেড়েছিলেন। সেই ম্যাচের পরই তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন শ্রেয়া ঘোষাল। গায়িকা নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে সূর্যকুমারের প্রশংসা করে একটি পোস্ট করেন।
শুধু প্রশংসাই নয়, সেই টুইটেই তিনি প্রকাশ্যে আনেন তাঁদের বহু পুরনো এক কানেকশনের কথা। শ্রেয়া জানান, সূর্যকুমার যাদব তাঁর ভাই সৌম্যদীপ ঘোষালের ছেলেবেলার বন্ধু। ছোটবেলায় তাঁরা একসঙ্গে মুম্বইয়ের অনুশক্তিনগর কলোনিতে ক্রিকেট খেলেই বড় হয়েছেন।
সেই স্মৃতির কথা তুলে ধরে শ্রেয়া লিখেছিলেন, “দারুণ খেলেছ সূর্যকুমার! কিন্তু যেভাবে অ্যাম্পায়ারের সিদ্ধান্তে তোমাকে আউট দেওয়া হল, সেটা দেখে খুব খারাপ লাগল। সৌম্য আর তুমি ছেলেবেলায় আমাদের অনুশক্তিনগর কলোনিতে একসঙ্গে ক্রিকেট খেলতে। তোমার এই সাফল্যে আমি খুব খুশি।”
শ্রেয়ার সেই টুইটের জবাবও দিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। তিনি লিখেছিলেন, “স্পট অন শ্রেয়াদি।”
ক্রিকেট মাঠের বাইরেও সংগীতের প্রতি সূর্যকুমারের আলাদা টান রয়েছে। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচের আগে বা ড্রেসিংরুমে নিজের মনকে শান্ত রাখতে তিনি গান শুনতে ভালোবাসেন। বিশেষ করে শ্রেয়া ঘোষালের গাওয়া রোম্যান্টিক মেলোডিগুলো তাঁর সবসময়ই পছন্দের তালিকায় থাকে।
দু’জন দুই ভুবনের মানুষ, একজন ক্রিকেটের তারকা, অন্যজন সংগীতের সম্রাজ্ঞী। তবু শিল্পের প্রতি টান আর একে অপরের কাজের প্রতি শ্রদ্ধা তাঁদের এই অদৃশ্য সম্পর্ককে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে।
সম্প্রতি সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। অন্যদিকে নিজের সঙ্গীতজীবন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। ‘চিকনি চামেলি’-র মতো সেই ধরনের আইটেম গান, যেখানে মেয়েদের ভোগ্যপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি।