এদিন রাত ১০টা নাগাদ মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে আসেন শাহরুখ খান। সাদা রঙয়ের বিলাসবহুল গাড়ি সোজা ঢুকে যায় হাসপাতালের ভিতরে। বেশ কিছুক্ষণ পর আবার বেরিয়ে যান।

সেলিম খানকে দেখতে হাসপাতালে শাহরুখ
শেষ আপডেট: 21 February 2026 23:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সলমন খানের (Salman Khan) পরিবারের সঙ্গে শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) সম্পর্ক বহুদিনের। সেলিম খানকে নিজের বাবার মতোই সম্মান করেন বলিউডের বাদশা। সেই তিনি যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন, তাঁকে দেখতে তো যেতেই হত। কাজের ফাঁকে সময় বের করে শনিবার রাতে হাসপাতালে যান শাহরুখ (SRK visits Salim Khan)। এখন শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও আইসিইউতেই রয়েছেন সেলিম খান।
এদিন রাত ১০টা নাগাদ মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে আসেন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)। সাদা রঙয়ের বিলাসবহুল গাড়ি সোজা ঢুকে যায় হাসপাতালের ভিতরে। বেশ কিছুক্ষণ পর আবার বেরিয়ে যান।

সূত্রে খবর, সেই সময় খান পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে ছিলেন। সলমন খান, আরবাজ খান, সোহেল খান, মেয়ে আলভিরার সঙ্গে কথাও বলেছেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালে ভর্তি হন নবতিপর সেলিম খান (Salim Khan Admitted to Hospital)। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে সেখান থেকে বের করে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেলিম খানের মস্তিষ্কে সামান্য ব্রেন হেমারেজ (small brain haemorrhage) ধরা পড়েছে। তাঁর মস্তিষ্ক থেকে রক্তক্ষরণও হয়। গত বুধবার অস্ত্রোপচারের কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন চিকিৎসকেরা।
কিংবদন্তী চিত্রনাট্যকারের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড (Medical board for Salim Khan) গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন, নিউরোলজিস্ট ডা. বিনয় চাভান, কার্ডিয়োলজিস্ট ডা. অজিত মেনন, নিউরোসার্জন ডা. নীতিন দাঙ্গে এবং ডা. বিনীত আহলুওয়ালিয়া। তাঁরা প্রত্যেকে তাঁর স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক দেখে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সেলিম খানের আরোগ্য কামনায় প্রার্থনায় মগ্ন বলিউড (Bollywood)। হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমাচ্ছেন পাপারাজ্জিরা। এতেই কয়েকদিন আগে ক্ষুব্ধ দেখা যায় সলমনকে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, বাবার স্বাস্থ্যের খবর বাইরে ফাঁস হওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
হাসপাতালের তরফেও জানানো হয়েছিল, খান পরিবার চাইছে সেলিম খানের চিকিৎসা শান্ত পরিবেশে হোক। কোনওরকম গণ্ডগোল যেন না হয়। সেকথা মাথায় রেখেই মিডিয়ায় বেশি তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, এর আগেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন পাপারাজ্জিদের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তাঁর ছেলে সানি দেওল। সেলেব মহলে শোনা যায়, হাসপাতালের বাইরে অতিরিক্ত ভিড় এবং বাড়াবাড়িতেই বিরক্ত হয়ে বাবার মৃত্যুর খবর প্রথমে প্রকাশ করতে চাননি তিনি। যদিও সেই সিদ্ধান্তের জন্য সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে এবং তাঁর ভাই ববি দেওল-কেও। তবে কঠিন সময়ে তারকাদের ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষা করার পক্ষে অনেকেই তাঁদের সমর্থন করেছিলেন।