টলিপাড়ার অন্দরমহলে এই মুহূর্তে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—জিয়াগঞ্জে ঠিক কীসের প্রস্তুতি? মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে আচমকা আলোড়ন ফেলেছে একটি খবর।

শেষ আপডেট: 21 February 2026 15:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: টলিপাড়ার অন্দরমহলে এই মুহূর্তে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—জিয়াগঞ্জে ঠিক কীসের প্রস্তুতি? মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে আচমকা আলোড়ন ফেলেছে একটি খবর। জানা যাচ্ছে, গায়ক অরিজিৎ সিং-এর জিয়াগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন বাংলা ছবির দুই পরিচিত মুখ—যিশু সেনগুপ্ত এবং সুরকার-পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। শুক্রবার রাতেই তাঁদের জিয়াগঞ্জে দেখা গিয়েছে বলে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহল সূত্রে খবর। আর তাতেই শুরু হয়েছে জল্পনার ঝড়। (Indradeep Dasgupta , Jisshu Sengupta, Arijit Singh)
এমনিতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতেই আর এক চমকপ্রদ সফরের সাক্ষী ছিল মুর্শিদাবাদ। মুম্বই থেকে ছুটে এসে আমির খান টানা তিন দিন বহরমপুরের এক বিলাসবহুল হোটেলে ছিলেন। উদ্দেশ্য একটাই—ছেলে জুনেইদ খান-এর ছবি ‘এক দিন’-এর জন্য গান নিয়ে কথা বলা। সেই সফর ঘিরেও তৈরি হয়েছিল কৌতূহল। এবার আবারও সেই অরিজিতের দোরগোড়ায় তারকাদের আনাগোনা।
এর মধ্যেই আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সবার দৃষ্টি গিয়েছিল গত জানুয়ারিতে। প্লেব্যাকের জগত থেকে কার্যত সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন অরিজিৎ। যদিও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, আগে থেকে প্রতিশ্রুত কিছু কাজ তিনি সম্পূর্ণ করবেন, কিন্তু নতুন কোনও প্লেব্যাক আর নেবেন না। এই ঘোষণার পর থেকেই তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ যেন আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।
তাই প্রশ্নটা স্বাভাবিক—যিশু ও ইন্দ্রদীপের এই সফরের নেপথ্যে কি কোনও নতুন ছবির পরিকল্পনা? অভিনয়ের পাশাপাশি সম্প্রতি প্রযোজনার দিকেও পা বাড়িয়েছেন যিশু। অন্যদিকে, পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি থেকেই সমালোচক ও দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইন্দ্রদীপ। এই প্রযোজক-পরিচালক জুটি কি তবে অরিজিতের কাছে গিয়েছেন নতুন ছবির প্লেব্যাকের অনুরোধ নিয়ে?
ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহল অবশ্য এখনও নিশ্চুপ। কারণ নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। তবে ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির পর আবারও যদি বাংলা সিনেমায় অরিজিতের কণ্ঠ শোনা যায়, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে কি? না কি সবটাই কাকতালীয় সৌজন্য সাক্ষাৎ? জিয়াগঞ্জের সেই বাড়ির দরজা আপাতত বন্ধ। ভিতরে কী কথা হয়েছে, তা এখনও অজানা। কিন্তু বাংলা সিনেমা কি সত্যিই আর এক বড় চমকের সামনে দাঁড়িয়ে? নাকি অরিজিতের ঘোষিত সিদ্ধান্তই শেষ কথা হয়ে থাকবে—উত্তর লুকিয়ে সময়ের কাছেই।