দেবের কী হল, ভাবতে ভাবতেই যখন অনেকে তাজ্জব ততক্ষণে চুপিসারে মাস্টারস্ট্রোক খেলে ফেলেছেন রুক্মিণী ও টিম।
.png.webp)
শেষ আপডেট: 23 November 2025 17:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রুবির মোড়, সন্ধে ছ'টা। ছুটির দিন, রাস্তা বাকি দিনের থেকে ফাঁকা। চোখ আটকে গেল এক চায়ের দোকানে লাগানো পোস্টারে। সাদা কালো পোস্টার, তাতে বড় বড় করে লেখা 'পাত্র চাই'। পাত্র কেমন হবে তার বিস্তৃত বিবরণ। কার পাত্র? কেন এত বড় পোস্টার? এ সব নিয়ে ভাবতে ভাবতেই চোখ পড়ল পাত্রীর দিকে! এ কী, এ যে রুক্মিণী মৈত্র! তাঁর পাত্র চাই? তায় আবার, কলকাতা নিবাসী, শিক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত!
দেবের কী হল, ভাবতে ভাবতেই যখন অনেকে তাজ্জব ততক্ষণে চুপিসারে মাস্টারস্ট্রোক খেলে ফেলেছেন রুক্মিণী ও টিম। আসছে তাঁর ছবি 'হাঁটি হাঁটি পা পা'। আর এই ছবিতেই রুক্মিণীর পাত্র জোটাতে মরিয়া তাঁর অনস্ক্রিন বাবা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী ওরফে দীপক চক্রবর্তী (এই পোস্টারের মালিক)। ছবির প্রচার এখন আর গতে বাঁধা নয়।
'স্পাইস' আনতে মরিয়া বাণিজ্যিক টিম। আর তাই ছবির প্রচার 'হটকে' করতে গিয়েই এখন শহরজুড়ে রুক্মিণীর সারি সারি পোস্টার। এ হেন প্রচার বাংলা ছবিতে আগে যে হয়নি তা নয়। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'কিলবিল সোসাইটি' মুক্তির ঠিক আগেও এরকম এক পোস্টার পড়েছিল শহরে। যদিও সেই উদ্দেশ্য ব্যাকফায়ার হয়েছিল প্রযোজকের উপর। উদ্দেশ্য ঠিক থাকলেও, প্রয়োগে ভুল ছিল। তবে এ ক্ষেত্রে সবটাই দশে দশ। প্রমাণ? পথচলতি মানুষ থমকে দাঁড়াচ্ছেন পোস্টারের সামনে। কেউ আবার 'রুক্মিণীর বিয়ে কবে' বলে সার্চও করে ফেলছেন ফোনে। সবটাই প্রতিবেদকের নিজের চোখে দেখা। আর এখানেই পুরো কনসেপ্টের সার্থকতা। খাপে খাপ 'দীপক' নামটাও।
বাবা- মেয়ের সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে এই ছবিটি। পরিচালক অর্ণব মিদ্যা। অনেকেই আবার এই ছবির সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন পিকুর। কিন্তু বাংলায় এই কনসেপ্ট খুব একটা হয়নি বলে তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। আগামী ২৮ অক্টোবর এই ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে অঞ্জনা বসুকে।