রণদীপ জানান, বিয়ের সময় মনিপুরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চলছিল। কিন্তু সেসব সত্ত্বেও তিনি স্থির ছিলেন যে, হবু স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েই বিয়ে করবেন।

রণদীপ হুডা
শেষ আপডেট: 25 June 2025 13:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৩ সালে অভিনেত্রী লিন লাইশরামের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউড অভিনেতা রণদীপ হুডা। তাঁদের বিয়ে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তখন উত্তাল চর্চা। এবার এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বিয়ের সেই দিনগুলোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেতা। জানালেন, “বিয়েটা যেন ছিল গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে”।
রণদীপ জানান, বিয়ের সময় মনিপুরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চলছিল। কিন্তু সেসব সত্ত্বেও তিনি স্থির ছিলেন যে, হবু স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েই বিয়ে করবেন। তাঁর কথায়, “মেয়ের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে না করলে, সেটা আর কেমন বিয়ে?”
অভিনেতা আরও বলেন, তিনি তাঁর এক বন্ধু, যিনি আসাম রাইফেলসে ব্রিগেডিয়ার পদে কর্মরত, তাঁর সাহায্যে বিয়ে সারেন। “আমি ওকে ফোন করেছিলাম, ও বলেছিল, ‘এসো, তোমার বিয়ে আমি করিয়ে দেব’। তখন আমরা ১০-১২ জন সঙ্গী নিয়ে সেখানে যাই। মনিপুরের বিয়ের রীতিনীতির বিষয়ে আমাদের কোনও ধারণাই ছিল না।”
লিন লাইশরাম বিয়ের ভিডিও দেখিয়ে তাঁকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করলেও, রণদীপ তখন ‘সাভারকর’ ছবির এডিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ভিডিও দেখা তো দূরের কথা, তিনি শুধু দেখার ভান করেছিলেন। রণদীপ জানান, বিয়ের আগে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা একেবারে নিরামিষ খাবার খেয়েছেন, সমস্ত স্থানীয় দেবতার আরাধনা করেছেন। বন্ধুদের কেউ কেউ মজা করে বলেন, “তুই আমাদের বিয়েতে এনেছিস, না তীর্থে!”
বিয়ের দিন একটি ঘটনার কথা আজও ভুলতে পারেন না অভিনেতা। তাঁকে একটি পাত্র দেওয়া হয়েছিল প্রস্রাব করার জন্য। রণদীপ বলেন, “আমার সঙ্গে একজন সহায়ক ছিলেন, একরকম গাইড বলা চলে। বরের মাথায় বিশেষ এক বস্তু পরানোর পর মাথা আর ঝুঁকানো যায় না। তখন তাঁরা আমাকে একটি ছাতা ও একটি পাত্র দেন। এরপর একটি জায়গায় বসিয়ে দেন, যেখানে সবাই এসে আমাকে দেখে যাবে। আমি তখন জিজ্ঞেস করি, পাত্রটা কীসের জন্য? তখন বলা হয়—প্রস্রাব করার! ছাতা খুলে পাত্রে করতে হবে, কারণ তখন আমি ঘাবড়ে যাই, নড়াচড়া করা যাবে না।”