জ্যোতিষীর নির্দেশে এক বছর ব্রা-প্যান্টি পরছেন না রাখি সাওয়ান্ত। কেরিয়ারের উন্নতির জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে পডকাস্টে জানালেন অভিনেত্রী।

রাখি সাওয়ান্ত
শেষ আপডেট: 13 February 2026 12:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের শেষকৃত্যে ‘নিপল ড্রেস’ পরে হাজির হয়ে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন রাখি সাওয়ান্ত। সেই ঘটনা নিয়ে সমালোচনা থামার আগেই আবারও শিরোনামে ‘আইটেম গার্ল’। এক পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি এমন এক দাবি করলেন, যা শুনে চমকে গিয়েছেন অনেকেই। রাখির বক্তব্য, এক জ্যোতিষীর পরামর্শেই নাকি এক বছরের জন্য ব্রা ও প্যান্টি পরা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই—কেরিয়ারের উন্নতি।
রাখি সাধারণত আঁটসাঁট পোশাকেই পাপ্পারাজ্জির সামনে ধরা দেন। সেই পোশাকের সঙ্গে অন্তর্বাস না পরার কথা শুনে পডকাস্টের সঞ্চালিকাও প্রথমে হতভম্ব হয়ে পড়েন। সরাসরি প্রশ্ন করেন, সাক্ষাৎকার দিতে বসেও কি তিনি অন্তর্বাস পরেননি? বরাবরের মতোই নির্ভীক রাখি সাফ জবাব দেন, “অস্বস্তিবোধ করবেন না, প্রশ্ন করুন।” এরপর নিজেই জানান, জ্যোতিষীর নির্দেশ মেনেই শরীরে অন্তর্বাস রাখছেন না। তাঁর দাবি, অন্তর্বাস পরলে শরীরে গরম লাগে। কেরিয়ারের উন্নতির জন্যই এই ‘ত্যাগ’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি খানিক দুষ্টুমির সুরে যোগ করেন, “দেখবে, তবেই তো বিক্রি হবে।”
একসময় বলিউডের একাধিক ‘আইটেম’ গানে নেচে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন রাখি। বহু মিউজিক ভিডিওয় তাঁর উপস্থিতি নজর কেড়েছে। শাহরুখ খানের ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবিতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে এখন সিনেমা বা ফ্যাশন ইভেন্টে খুব কমই দেখা যায় রাখিকে। বরং নানা বিতর্কের কারণেই বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি।
গত কয়েক দশক ধরে রাখির পরিচিতি যতটা না কাজের জন্য, তার চেয়ে বেশি তাঁর বিতর্কিত উপস্থিতি, পোশাক ও মন্তব্যের জন্য। দু’বার বিয়ে করেও দাম্পত্য সুখ টেকেনি। ২০১৯ সালে রিয়ালিটি শোয়ের মাধ্যমে এনআরআই রীতেশকে বিয়ে করলেও চার বছরের মাথায় সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। দ্বিতীয় বিয়েও এক বছরের বেশি স্থায়ী হয়নি।
এর আগে অজিত পওয়ারের শেষকৃত্যে মেরুন রঙের আঁটসাঁট ওয়ান-পিস পোশাকে হাজির হয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন রাখি। সানগ্লাস, বোল্ড লিপস্টিক এবং তাঁর স্বভাবসিদ্ধ অঙ্গভঙ্গি—সব মিলিয়ে আবারও বিতর্ক দানা বাঁধে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জ্যোতিষী-পরামর্শ প্রসঙ্গে নতুন মন্তব্য করে ফের আলোচনার কেন্দ্রে রাখি সাওয়ান্ত।